Visit Youtube Visit Our Youtube Channel!
Latest Post:👉
Loading......Wait...... Please..........

Bangladesh Income Tax Update 2026-27: Rates, Slabs, TDS, VDS & Filing Guide

Bangladesh Income Tax Update 2026-27: Rates, Slabs, TDS, VDS & Filing Guide

Bangladesh Income Tax Update Guide

নতুন আয়কর হিসাব ২০২৬–২৭
কর স্ল্যাব, হার ও রেয়াত

রিটার্ন হিসাব থেকে জমা — পুরো প্রক্রিয়া একটি জায়গায়। ধাপে ধাপে গাইড, লাইভ ক্যালকুলেটর ও হালনাগাদ TDS–VDS তথ্যভাণ্ডার, সবকিছু আপনার হাতের মুঠোয়।


🚨কর বিধিমালা, ২০২৬

SL জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়কর আইন, ২০২৩
1 উৎস কর বিধিমালা, ২০২৬ (সংশোধিত) তাং-০৫/০৭/২০২৬
2 উৎস কর বিধিমালা, ২০২৬
3 Finance-BILL-2026-2027-Final.pdf
4 Extraordinary Gazette of July 2026
5 দানকর আইন ১৯৯০/ Gift Tax Act-
6 বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি. বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য করদাতার অধিকার ও কর্তব্যসমূহ (ADR )
7 How to Submit an Income Tax Return Online in Bangladesh in 2026
8 প্রথম আয়কর রিটার্ন? এই ৫টি মারাত্মক ভুল একেবারেই করবেন না !
🚨 Tax Information

আয়কর তথ্যভাণ্ডার ↘️

🚨 সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা এখন ৪,০০,০০০ টাকা

শুরু হয়েছে নতুন অর্থবছর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে।

নতুন করহার ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের

আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ, বিদেশে অবস্থানরত এবং নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য ই-ট্যাক্স পোর্টালে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।

আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন)-এর ধারা ২৬৯ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিদের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশিসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রে মোট আয়ের ওপর নিম্নোক্ত করহার প্রযোজ্য হবে, যথা:—

ব্যক্তি শ্রেণির করহার (AY ২০২৬–২০২৭)

বার্ষিক করযোগ্য আয়ের ধাপ ( Tax Slab )করের হার ( Tax Rate )
বিশেষ ছাড়:
(ক) মহিলা করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
(খ) তৃতীয় লিঙ্গের ও প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,২৫,০০০ টাকা।
(গ) গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,৫০,০০০ টাকা।

💰 Tax Rebate Calculation (বিনিয়োগের বিপরীতে কর রেয়াত)

To calculate an investment tax rebate in Bangladesh

Step-by-Step Method to Compute Net Payable Tax

The tax rebate is the lowest of the following three amounts:

1 Find Taxable Income: Calculate your total yearly income and subtract tax-exempt allowances (such as medical or house rent exemptions).
2 Compute Option A: Take 3% of that total taxable income.
3 Compute Option B: Take 15% of your actual qualifying investments.
4 Compare Limits: For Meximum Rebate Limit- Check the ceiling cap (BDT 10,00,000).
5 Select the Lowest: The smallest number among Option A, Option B, and the maximum limit is your actual tax rebate.
6 Apply to Tax: Subtract this rebate from your calculated gross income tax to get your net payable tax.
📌 Important Note:

Individual taxpayers should review their eligible investments carefully before filing the income tax return to determine the correct tax rebate amount.


Pro Tip: You can test numbers using online estimation tools provided by local tax experts like BD Taxation Calculator or review official regulations directly via the National Board of Revenue (NBR).

💻 অনলাইন রিটার্নে বিশেষ প্রণোদনা

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে প্রদেয় করের উপর বিশেষ কর রেয়াত পাওয়া যাবে।...........👉 Click to Show Details

ঠিকাদার উৎসে কর কর্তন হার ২০২৫-২৬

আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮৯ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার সংশোধনী অনুসারে, ঠিকাদার বা সরবরাহকারীর বিল পরিশোধকালে নির্দিষ্ট হারে TDS কর্তন করতে হবে। একইভাবে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী VDS নির্দিষ্ট পণ্য/সেবার ওপর প্রযোজ্য।

ক্রমিকবর্ণনাহার

TDS Rate Chart — FY 2025-26 (section reference সহ) ( Coming 2026-2027 )

VDS Rate Chart — FY 2025-26 (section reference সহ) - ( Coming 2026-2027 )

Quick Find: TDS & VDS Rates

সার্ভিসের নাম লিখে খুঁজুন — TDS ও VDS হার তাৎক্ষণিকভাবে দেখুন।

SL Section Ref. Service Name TDS VDS

সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা এখন ৪,০০,০০০ টাকা

শুরু হয়েছে নতুন অর্থবছর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে।

নতুন করহার ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের

আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ, বিদেশে অবস্থানরত এবং নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য ই-ট্যাক্স পোর্টালে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।

আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন)-এর ধারা ২৬৯ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিদের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশিসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রে মোট আয়ের ওপর নিম্নোক্ত করহার প্রযোজ্য হবে, যথা:—

বার্ষিক করযোগ্য আয়ের ধাপ (স্ল্যাব) করের হার (Tax Rate)
প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত শূন্য (ট্যাক্স নেই)
পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা ১০%
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা ১৫%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা ২০%
পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা ২৫%
অবশিষ্ট অংশ ৩০%

তবে শর্ত থাকে যে—

(ক) মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৪,৫০,০০০ টাকা;

(খ) তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৫,২৫,০০০ টাকা;

(গ) গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ এ আহত গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৫,৫০,০০০ টাকা;

২০২৬–২৭ অর্থবছর এ জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন দিলে ৫% প্রণোদনা

💻 অনলাইন রিটার্নে ৫% বিশেষ প্রণোদনা

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা প্রদেয় করের উপর ৫% বিশেষ কর রেয়াত (Tax Rebate) বা বিশেষ প্রণোদনা (Special Incentive) পাবেন।

প্রণোদনার পরিমাণ

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ফলে করদাতা তার প্রদেয় করের ৫% পর্যন্ত বিশেষ কর রেয়াত বা প্রণোদনা পাবেন।

সর্বোচ্চ সীমা

এই বিশেষ কর রেয়াত বা প্রণোদনার সর্বোচ্চ সীমা ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা।

গুরুত্বপূর্ণ:

শুধুমাত্র জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে অনলাইনে (e-Return) আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে এই ৫% বিশেষ কর রেয়াত/প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে। তবে প্রণোদনার পরিমাণ কোনো অবস্থাতেই ২৫,০০০ টাকার বেশি হবে না।

দীর্ঘমেয়াদি কর রোডম্যাপ

২০২৬ থেকে ২০৩১ পর্যন্ত কর হার ও করমুক্ত আয়ের সীমা জেনে নিন । চলতি করবর্ষ- ২০২৬–২০২৭

বাংলাদেশের ব্যক্তিশ্রেণির করব্যবস্থায় ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০-৩১ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদি কর রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৫% কর স্ল্যাব বাতিল করে সরাসরি ১০% থেকে করহার শুরু হয়েছে।

💰

বাংলাদেশে কর ছাড় পাওয়ার যোগ্য বিনিয়োগ খাতসমূহঃ

আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর রেয়াত পাওয়া যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অনুমোদিত নির্ধারিত কয়েকটি খাতে বিনিয়োগ এবং দানে উৎসাহিত করার জন্য সরকার ওই সমস্ত বিনিয়োগ এবং দানের উপর এই ছাড় দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে করের পরিমাণ বহুলাংশে কমানো যায়।

📊

আয়কর স্ল্যাব ২০২৬-২০২৭

বাংলাদেশ সরকারের অর্থ আইন ২০২৬ (Finance Bill 2026) অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ধারাবাহিকতায় ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা এবং প্রগতিশীল ট্যাক্স স্ল্যাব বা ধাপসমূহ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাথমিক ৫% করের স্ল্যাবটি বাতিল করে সর্বনিম্ন কর হার ১০% করা হয়েছে।

📈

দীর্ঘমেয়াদী কর স্ল্যাব

বাংলাদেশ সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবারের মতো ২০৩০-৩১ করবর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছরের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রগতিশীল আয়কর রোডম্যাপ বা করকাঠামো ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নীতিমালার ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দিতে এবং করব্যবস্থাকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য করতেই এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

🏛️

কোম্পানি করহার (AY 25/26 – 26/27–27/28)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) এবং ফাইন্যান্স অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০২৫-২৬, ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ করবর্ষের (Assessment Year - AY) জন্য কোম্পানি করহারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলোঃ

Live Tax Calculator

আয়কর ক্যালকুলেটর ২০২৬–২০২৭

করমুক্ত আয়ের সীমা০
মোট করযোগ্য আয়০
প্রদেয় আয়কর০
Sitemap

সাইটম্যাপ

Get in touch

যোগাযোগ করুন

প্রশ্ন, মতামত বা আপনার ওয়েবসাইট/পত্রিকা যুক্ত করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন।

Tax Article Upgrading

🚧

Website Upgrade in Progress

আমাদের ওয়েবসাইটে বর্তমানে আপগ্রেড ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। the site is undergoing maintenance, speed optimization, or a full redesign to improve user experience

আরও উন্নত ও সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে খুব শিগগিরই আমরা ফিরে আসছি।

⏳ Please wait patiently...

আপনার ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ। ❤️

📘 All FAQ About TAX ↘️
eReturn রিটার্ন দাখিল FAQ – আপনার সব প্রশ্নের সহজ উত্তর

অনলাইনে নিজেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন। eReturn সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন, উত্তর, নিয়ম ও প্রয়োজনীয় তথ্য এক জায়গায়।

উত্তর

e-Return এ রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন যেভাবে !

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রথম ধাপ হচ্ছে e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করা। এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই আপনি নিজের নামে e-Return অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো —

  1. ১. e-Return পোর্টালে প্রবেশ করুন: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে eReturn System এ প্রবেশ করুন।
  2. ২. “Register” অপশন সিলেক্ট করুন: নতুন ব্যবহারকারী হলে রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করুন।
  3. ৩. প্রয়োজনীয় তথ্য দিন: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর, বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং TIN ইনপুট করুন।
  4. ৪. OTP যাচাই করুন: আপনার মোবাইলে প্রাপ্ত OTP কোডটি সঠিকভাবে প্রদান করে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন।
  5. ৫. পাসওয়ার্ড সেট করুন: একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করে রেজিস্ট্রেশন শেষ করুন।

রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে আপনি e-Return সিস্টেমে লগইন করতে পারবেন। লগইন করার পর প্রোফাইলের তথ্য আপডেট করুন এবং ধাপে ধাপে আপনার আয়, বিনিয়োগ, সম্পদ, ব্যয় ও কর পরিশোধের তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করুন।

💡 পরামর্শ: রেজিস্ট্রেশনের আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার মোবাইল নম্বরটি NID এর সাথে বায়োমেট্রিকভাবে সংযুক্ত আছে, নইলে OTP যাচাইকরণ ব্যর্থ হতে পারে।

উত্তর

eReturn লগইন করতে যে ৩টি তথ্য অবশ্যই থাকতে হবে – জানুন বিস্তারিত !

eReturn সিস্টেমে প্রবেশ করতে হলে আপনার পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য তিনটি অত্যাবশ্যক তথ্য প্রয়োজন। এই তিনটি তথ্য না থাকলে আপনি সিস্টেমে লগইন বা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন না। তাই রিটার্ন দাখিলের আগে অবশ্যই নিচের বিষয়গুলো প্রস্তুত রাখুন।

  • ১. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আপনার সঠিক তথ্য যাচাইয়ের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
  • ২. নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর: যেটি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশনকৃত — এতে OTP যাচাইকরণ সম্পন্ন হয়।
  • ৩. ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN): eReturn অ্যাকাউন্ট তৈরির এবং রিটার্ন দাখিলের মূল পরিচয়।

উপরের তিনটি তথ্য থাকলেই আপনি সহজে eReturn পোর্টালে প্রবেশ করতে পারবেন, নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন এবং ধাপে ধাপে আয়, বিনিয়োগ, সম্পদ ও কর সম্পর্কিত তথ্য জমা দিয়ে রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন করতে পারবেন।

উত্তর

eReturn রেজিস্ট্রেশনের সময় OTP না এলে কী করতে হবে?

যদি OTP না আসে, নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন:

  • প্রথমে আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা সঠিকভাবে দিয়েছেন কিনা যাচাই করুন।
  • ইন্টারনেট কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
  • OTP আসতে দেরি হলে আবারও “Resend OTP” বাটনে ক্লিক করুন।
  • কখনও কখনও SMS দেরিতে পৌঁছায়, তাই ২–৩ মিনিট সময় দিন।
  • যদি এখনও OTP না আসে, তাহলে NBR হেল্পলাইন ১৬১২০ বা support@nbr.gov.bd এ যোগাযোগ করুন।
উত্তর

আমি কি মোবাইল ফোন দিয়ে eReturn দাখিল করতে পারবো?

হ্যাঁ, আপনি মোবাইল ফোন দিয়েও eReturn দাখিল করতে পারবেন। তবে ভালোভাবে কাজ করার জন্য স্মার্টফোন ও একটি আপডেটেড ব্রাউজার (যেমন Chrome বা Firefox) ব্যবহার করা উচিত।

👉 মোবাইল থেকে রিটার্ন ফর্ম পূরণে কিছু অংশ ছোট স্ক্রিনে দেখা বা ইনপুট দিতে অসুবিধা হতে পারে, তাই সম্ভব হলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা বেশি সুবিধাজনক।

উত্তর

অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে কোনো কাগজপত্র বা দলিলাদি আপলোড করার দরকার পড়ে?

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বলেছে: “অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে কোনো কাগজপত্র বা দলিলাদি আপলোড করার দরকার নেই”। — The Daily Ittefaq


কর রিটার্ন নির্দেশিকা অনুযায়ী: Assets & Liabilities-এর বিবরণ দিতে হয়, কিন্তু কাগজপত্র (যেমন দলিল) আপলোডের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। — National Board of Revenue

⚠️ তবে, কিছু সমস্যা বা শর্ত থাকতে পারে:

  • যদিও অনলাইনে দলিল আপলোড করতে হয় না, কিন্তু ভবিষ্যতে কর কর্তৃপক্ষ অ্যাসেসমেন্ট বা পরিদর্শনের সময় আপনার প্রদত্ত সম্পদ সম্পর্কিত প্রমাণ (যেমন দলিল, গণনা) চেয়ে থাকতে পারে।
  • প্রতিবেদনে “Proof of payments of tax … এবং Proof of investment …” জমা দাখিল করতে বলা হয়েছে (নির্দেশিকায়)। — National Board of Revenue
  • কিছু সংবাদ উৎস বলেছে, “নিজের নামে কোনো ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি” থাকলে দলিল কপি প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজন হতে পারে। — Jagonews24

✔️ সারাংশ:

ই-রিটার্ন দাখিলের সময় দলিলের কপি আপলোড করার বাধ্যবাধকতা সাধারণভাবে নেই।

তবে ভবিষ্যতে কর কর্তৃপক্ষ চাইলে দলিল দেখার জন্য বলবে, তাই দলিলগুলো সংরক্ষণ করা ভাল।

⚠️ অর্থাৎ:

বর্তমানে আপনি ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারেন শুধু তথ্য দিয়ে, দলিল স্ক্যান বা আপলোড না করিয়েও।

কিন্তু দলিল ও অন্যান্য প্রমাণপত্র (asset deed, investment proof, liabilities proof) অবশ্যই সংরক্ষণ করা উচিত, কারণ ভবিষ্যতে কর কর্তৃপক্ষ অডিট বা চেক করতে পারে।

যদি আপনার অ্যাসেট (নন-অ্যাগ্রিকাল প্রপার্টি) বড় বা গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে দলিল বা চুক্তিপত্র (deed) হাতে রাখলে পরবর্তীতে কোনো ঝামেলা হবে না।

উত্তর

🏦 DPS ঋণের (Loan against DPS) তথ্য eReturn-এ দেখানোর সঠিক পদ্ধতি

পরিস্থিতি:

আপনি আপনার সঞ্চয় (DPS) জামানত হিসেবে রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ (Loan against DPS) নিয়েছেন।

📘 মূল ধারণা (Key Concept)

  • 🔹 **Loan** হলো আপনার **Liability (দায়)**, এটি কখনোই **Income (আয়)** নয়।
  • 🔹 লোনের টাকাকে আয় হিসেবে দেখানো যাবে না।

💡 Income Tax Return-এ কীভাবে দেখাবেন

🧾 ১. Liabilities সেকশনে (দায়)

আপনি যদি Statement of Assets, Liabilities and Expenses ফর্মটি পূরণ করেন (যেমন: IT-10B), তবে:

👉 "Liabilities" (দায়) অংশে নিচের মতো একটি আইটেম যুক্ত করুন:

Loan against DPS (Bank Name) – ৳ [ঋণের পরিমাণ]

উদাহরণ: Loan against DPS (Sonali Bank) – ৳ 2,00,000

🧾 ২. DPS অংশ (Asset হিসেবে)

আপনার DPS নিজেই একটি **Asset (সম্পদ)**, তাই সেটি Assets সেকশনে দেখাতে হবে:

DPS (Bank Name) – ৳ [৩০ জুন পর্যন্ত মোট জমা]

উদাহরণ: DPS (Sonali Bank) – ৳ 1,20,000

🧾 ৩. লোনের ব্যবহার (Loan Usage)

যদি ঋণের টাকা দিয়ে কোনো নতুন **সম্পদ (Asset)** কেনা হয়, তবে সেই সম্পদ Assets সেকশনে দেখান এবং অর্থের উৎস উল্লেখ করুন:

  • Assets: **নতুন সম্পদ** (যেমন: ফ্ল্যাট/গাড়ি)
  • উৎস (Source of fund): Loan against DPS

🚫 ভুল করবেন না:

ঋণের টাকাকে আপনার **"Income" (আয়)** হিসেবে কখনোই গণনা করবেন না। ঋণ মওকুফ না হওয়া পর্যন্ত এটি কেবল একটি দায় (liability) হিসেবেই থাকবে।

📄 সংক্ষেপে ট্যাক্স রিটার্নে দেখানোর কাঠামো

অংশ কোথায় দেখাবেন উদাহরণ
DPS Assets “DPS with Sonali Bank – ৳1,20,000”
Loan against DPS Liabilities “Loan against DPS – ৳2,00,000”
Loan-এর টাকা দিয়ে সম্পদ কিনলে Assets “Motorcycle – ৳1,80,000 (Source: Loan against DPS)”
উত্তর

🏠 DPS লোন দিয়ে ফ্ল্যাট সংস্কার (Renovation) eReturn-এ দেখানোর পদ্ধতি

পরিস্থিতি সংক্ষেপে:

  • DPS: ৳1,20,000 (Asset)
  • Loan against DPS: ৳2,00,000 (Liability)
  • ব্যবহার: ফ্ল্যাটের মেরামত/রিনোভেশন

📘 মূল নীতি ও নিয়ম

  • 🔹 Loan হলো **Liability (দায়)**, এটি কখনোই **Income (আয়)** নয়।
  • 🔹 মেরামত/রিনোভেশন খরচ স্থায়ী উন্নয়ন করলে **Asset Value Increase** হিসেবে দেখানো উচিত।

✅ রিটার্নে দেখানোর ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া

১. Liabilities (দায়) অংশে:

আপনার উপর থাকা দায় (ঋণ) এখানে দেখাতে হবে:

Loan against DPS (Bank name) – ৳2,00,000

২. Assets (সম্পদ) অংশে: ফ্ল্যাট

🅰️ যদি শুধু মেরামত/রক্ষণাবেক্ষণ হয় (No Permanent Improvement):

ফ্ল্যাটের মূল মূল্য অপরিবর্তিত রাখুন, কিন্তু লোনের উৎস উল্লেখ করুন।

Flat at Mirpur – ৳50,00,000
(Renovation/Repair worth ৳2,00,000 done from Loan against DPS)


🅱️ যদি স্থায়ী উন্নয়ন (Improvement) হয় (Asset Value বৃদ্ধি):

ফ্ল্যাটের মূল মূল্য ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী বাড়িয়ে দিন।

**Flat at Mirpur – ৳52,00,000**
(Improvement worth ৳2,00,000 done using Loan against DPS)

⚖️ ফলাফল (Assets & Liabilities Balance)

ফ্ল্যাটের মূল্য **৳2,00,000** বাড়ালে, এটি নতুন দায় **৳2,00,000** এর সাথে মিলে যায়, ফলে আপনার **Net Wealth** (মোট সম্পদ) সঠিক থাকে বা সামান্য বাড়ে।


❌ সতর্কীকরণ:

লোনের টাকা আয় হিসেবে দেখানো থেকে বিরত থাকুন। এটি কেবল দায় এবং সম্পদ ক্রয়ের উৎস।

🔹 অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য e-Return রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হলে প্রথমেই e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রয়োজন হবে একটি সক্রিয় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), বায়োমেট্রিক যাচাইকৃত সিমকার্ডসহ মোবাইল নম্বর এবং বৈধ টিআইএন (TIN) নম্বর।

রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে আপনি সাইন-ইন করে নিজের প্রোফাইল তথ্য পর্যালোচনা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আপডেট করতে পারবেন। এরপর ধাপে ধাপে আয়, বিনিয়োগ, পারিবারিক ব্যয়, সম্পদ ও দায়-দেনা এবং কর পরিশোধের তথ্য ইনপুট দিয়ে খুব সহজেই অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব হবে।

রিটার্ন ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তাই তথ্য প্রদান করার আগে প্রমাণপত্র দেখে যাচাই করে ইনপুট দেওয়া বাঞ্ছনীয়।

উত্তর

eReturn: Assets & Liabilities Short Guide

  1. Current Year Assets: DPS (Current Balance), Family Savings Certificate/Sanchayapatra/Bonds, Cash, Property, Gold etc.
  2. Liabilities Outside Business: Loans, Debts. If none, put 0.
  3. Source of Fund: Only Current Year Income (Interest, Salary, Dividend, etc.)
  4. Other Outflow / Expenses: Loss, Donation, Gift. Leave blank if Annual Living Expense field is not available.

  5. Check Difference:
    Change in Net Wealth = Current Year Net Wealth − Previous Year Net Wealth
    Fund Outflow = Change in Net Wealth − Source of Fund
    Difference should be 0

Key rule: Assets = Previous Assets + Income − Outflow + Other Adjustments. This ensures your eReturn balances correctly.

মোট সম্পদ বৃদ্ধি + জীবনযাত্রার ব্যয় = মোট আয় বা ফান্ডের উৎস।
উত্তর

Life Insurance Premium Status (Current Year)

আগে আপনি যেখানে Life Insurance Premium দেখাতেন
এটা সাধারণত “Tax Rebate — Eligible Investments” সেকশনে দেখাতে হয়। যেহেতু এবার আপনার লাইফ ইন্সুরেন্স নেই, তাই ওই সেকশনে কিছুই লিখবেন না (0 রাখবেন)।

২. এবার আপনি কি “Assets & Liabilities / Wealth Statement”-এ কিছু দেখাবেন?
সাধারণত Life Insurance Premium কোনো asset নয়, তাই পূর্বে দেখানো হলেও: যেহেতু পলিসি বন্ধ হয়েছে, তাই Wealth Statement-এ এ নিয়ে কিছু দেখাতে হয় না।

৩. “Source of Fund” এর সাথে কি সম্পর্ক?
লাইফ ইন্সুরেন্স বন্ধ হলে বা আপনি আর প্রিমিয়াম না দিলে— এটা নতুন কোনো fund source নয়, তাই Source of Fund-এও কিছু দেখানোর দরকার হয় না।

📌 সংক্ষেপে

বিষয় কী করবেন
Tax Rebate / Eligible Investment লাইফ ইন্সুরেন্স না থাকলে ফাঁকা রাখুন / 0 দিন
Wealth Statement কিছু যোগ বা বাদ দিতে হবে না (asset নয়)
Source of Fund কিছু উল্লেখের প্রয়োজন নেই
উত্তর

eReturn-এ সঞ্চয়পত্র (Savings Certificate) প্রদর্শনের ধাপসমূহ

মূল ধারণা:

সঞ্চয়পত্র একই সাথে **Asset (সম্পদ)** এবং এর থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ (Interest) আপনার **Income (আয়)** হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এটি রিটার্নের দুটি ভিন্ন অংশে দেখাতে হবে।

✅ ১. আয় (Income) অংশে প্রদর্শন

কোথায় দেখাবেন:

  • রিটার্নের **"Other Income/অন্যান্য উৎস থেকে আয়"** সেকশনে।
  • আইটেম হিসেবে উল্লেখ করুন: **"Interest from Savings Certificate (সঞ্চয়পত্রের সুদ)"**।

যেভাবে হিসাব করবেন:

আপনার বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমাদানের শেষ তারিখের (৩০ জুন) মধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে যে **মোট সুদ** পেয়েছেন, সেই পুরো অর্থটি এখানে দেখান।

⚠️ কর্তনকৃত উৎসে কর (TDS) বিয়োগ করবেন না। মোট সুদ দেখাতে হবে।

✅ ২. সম্পদ (Assets) অংশে প্রদর্শন

কোথায় দেখাবেন:

  • রিটার্নের **"Statement of Assets, Liabilities and Expenses"** ফর্মে।
  • আইটেম হিসেবে উল্লেখ করুন: **"Investment/Financial Assets (আর্থিক বিনিয়োগ)"** সেকশনে।

যেভাবে হিসাব করবেন:

এখানে সঞ্চয়পত্রের **ক্রয়মূল্য (Face Value)** দেখাতে হবে। ৩০ জুন পর্যন্ত আপনার হাতে থাকা সঞ্চয়পত্রের মোট ক্রয়মূল্য (যত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছেন)।

উদাহরণ: আপনি যদি ১ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে থাকেন, তবে Assets-এ ৳1,00,000 দেখাবেন।

✅ ৩. কর রেয়াত (Tax Rebate) সুবিধা

সুবিধা:

সঞ্চয়পত্র হলো আয়কর আইনের অধীনে একটি **স্বীকৃত বিনিয়োগ ক্ষেত্র**। তাই বিনিয়োগের এই অর্থ কর রেয়াতের (Tax Rebate) জন্য গণনা করা হয়।

  • এটি রিটার্নের **"Investment Rebate/বিনিয়োগ রেয়াত"** সেকশনে দেখান।

📄 সংক্ষেপে রিটার্নে লেখার কাঠামো

অংশ কোথায় দেখাবেন পরিমাণ
ক্রয়মূল্য Assets / Financial Assets মোট ক্রয়মূল্য
সুদ/লভ্যাংশ Income / Other Income মোট প্রাপ্ত সুদ
বিনিয়োগ রেয়াত Tax Rebate Section মোট ক্রয়মূল্য
উত্তর

🧾 আয়বর্ষে নতুন সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের তথ্য eReturn-এ প্রদর্শন

মূল বিষয়:

সঞ্চয়পত্র কেনা মানে **একই সাথে সম্পদ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ রেয়াতের দাবি**। এর অর্থ যোগান দিতে হবে আপনার বার্ষিক আয় থেকে।

✅ ১. সম্পদ (Assets) অংশে দেখান

কোথায় দেখাবেন:

  • **Statement of Assets, Liabilities and Expenses** ফর্মে।
  • উপ-সেকশন: **Investment/Financial Assets (আর্থিক বিনিয়োগ)**।

কী দেখাবেন:

আয়বর্ষের শেষ দিনে (৩০ জুন) আপনার হাতে থাকা **সব সঞ্চয়পত্রের মোট ক্রয়মূল্য (Face Value)**।

(নতুন ও পুরোনো, উভয় সঞ্চয়পত্রের ক্রয়মূল্যের যোগফল)।

✅ ২. বিনিয়োগ রেয়াত (Tax Rebate) দাবি

কোথায় দেখাবেন:

  • রিটার্নের **"Investment Rebate/বিনিয়োগ রেয়াত"** সেকশনে।

কী দেখাবেন:

এই অংশে শুধুমাত্র **এই আয়বর্ষে নতুন কেনা সঞ্চয়পত্রের ক্রয়মূল্যটি** উল্লেখ করুন।

গুরুত্ব: এই বিনিয়োগটি আপনার মোট করযোগ্য আয়ের ওপর কর রেয়াত পেতে সাহায্য করবে।

✅ ৩. তহবিলের উৎস (Source of Funds)

কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করবেন:

আপনার **Assets** সেকশনে যে নতুন বিনিয়োগের মূল্য দেখাচ্ছেন, তার সমপরিমাণ অর্থ অবশ্যই **Sources of Funds** সেকশনে দেখাতে হবে।

  • নতুন সঞ্চয়পত্রের অর্থ আপনার **'Current Year's Income' (চলতি বছরের আয়)** থেকে দেখানো সবচেয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতি।
  • যদি আয়ের উৎস যথেষ্ট না হয়, তবে অন্য কোনো **বৈধ উৎস (যেমন: উপহার, ব্যাংক ঋণ, পূর্বের সঞ্চয়)** উল্লেখ করতে পারেন।

কীভাবে দেখাবেন (Assets ও Funds মেলানো):

আপনার মোট আয় (Income) থেকে এই নতুন বিনিয়োগের **অর্থের উৎস** মেলাতে হবে।

  • **মোট আয়:** ৳6,00,000
  • **নতুন বিনিয়োগ (সঞ্চয়পত্র):** ৳1,00,000

রিটার্নে দেখাবেন, এই ৳1,00,000 আপনার **আয়ের অংশ** থেকে বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা আপনার ব্যালেন্সকে বৈধ করবে।

✅ ৪. সুদ/লভ্যাংশ আয় (Income) অংশে

কোথায় দেখাবেন:

  • রিটার্নের **"Other Income/অন্যান্য উৎস থেকে আয়"** সেকশনে।

কী দেখাবেন:

এই আয়বর্ষে (নতুন ও পুরোনো সঞ্চয়পত্র থেকে) আপনার পাওয়া **মোট সুদ** (উৎসে কর কাটার আগের মোট টাকা)।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

সুদ/লভ্যাংশ আয় (Income) প্রদর্শন:

আপনি এই আয়বর্ষে সঞ্চয়পত্র থেকে যে **মোট সুদ** পেয়েছেন (নতুন বা পুরাতন সব সঞ্চয়পত্র থেকে), তা অবশ্যই আপনার **Other Income/অন্যান্য আয়** সেকশনে দেখাতে হবে।

প্রমাণপত্র সংরক্ষণ:

নতুন সঞ্চয়পত্র কেনার প্রমাণপত্র (যেমন: **চালান/কয়েন সার্টিফিকেট/ইলেকট্রনিক রেকর্ড**) অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে, যা **ট্যাক্স রেয়াতের দাবিকে সমর্থন** করবে।

উত্তর

রিটার্ন দাখিলের পর আমি কি সেটি সম্পাদনা বা আপডেট করতে পারি?

না, রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন হওয়ার পর সেটি সরাসরি সম্পাদনা করা যায় না। তবে যদি কোনো ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন হয়, আপনি পরবর্তী সময়ে সংশোধিত রিটার্ন (Revised Return) জমা দিতে পারবেন।

👉 সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করতে হলে আগের রিটার্ন নম্বর উল্লেখ করে পুনরায় ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত নিয়মে সাবমিট করতে হবে।

উত্তর

আমি কি মোবাইল ফোন দিয়ে eReturn দাখিল করতে পারবো?

হ্যাঁ, আপনি মোবাইল ফোন দিয়েও সহজেই eReturn দাখিল করতে পারবেন। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি —

  • ভালোভাবে কাজ করার জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার করুন।
  • Google Chrome বা Mozilla Firefox ব্রাউজার ব্যবহার করাই উত্তম।
  • ইন্টারনেট সংযোগ স্থিতিশীল রাখুন যাতে সাবমিট করার সময় কোনো সমস্যা না হয়।
  • ছোট স্ক্রিনে ফর্ম পূরণ কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, তাই সম্ভব হলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করাই ভালো।

📱 টিপস: মোবাইলের ব্রাউজারে “Desktop Site” চালু করলে ফর্মটি আরও পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।

উত্তর

সঞ্চয়পত্র, DPS, FDR বা ব্যাংক সুদের তথ্য কিভাবে ইনপুট দেবো?

eReturn দাখিলের সময় আপনার সঞ্চয়পত্র, DPS, FDR বা ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদের আয় অবশ্যই ইনপুট দিতে হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  • ধাপ ১: eReturn ফর্মে “Other Income” বা “Interest Income” সেকশনটি নির্বাচন করুন।
  • ধাপ ২: এখানে প্রতিটি উৎস অনুযায়ী আলাদা করে সুদের পরিমাণ লিখুন।
  • ধাপ ৩: ব্যাংক বা পোস্ট অফিস থেকে পাওয়া সুদের সার্টিফিকেট থাকলে তা অনুযায়ী পরিমাণ উল্লেখ করুন।
  • ধাপ ৪: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে কর্তনকৃত কর (AIT) এর তথ্যও যুক্ত করুন।
  • ধাপ ৫: সবশেষে প্রয়োজনে সহায়ক নথি (PDF বা JPG ফাইল) স্ক্যান করে আপলোড করুন।

💡 পরামর্শ: ব্যাংক বা সঞ্চয়পত্রের সুদের আয় হিসাব করার সময় বছরে প্রাপ্ত মোট সুদ (গ্রস ইনকাম) উল্লেখ করা উচিত।

উত্তর

যদি রিটার্ন দাখিলের সময় কোনো ভুল করি, তাহলে সংশোধন কীভাবে করবো?

যদি আপনি রিটার্ন দাখিলের সময় কোনো ভুল করেন, চিন্তার কিছু নেই। সেই ভুল সংশোধনের জন্য আপনি সংশোধিত রিটার্ন (Revised Return) দাখিল করতে পারবেন।

  • ধাপ ১: আপনার eReturn একাউন্টে লগইন করুন।
  • ধাপ ২: পূর্বে দাখিল করা রিটার্নের Acknowledgement Number সংগ্রহ করুন।
  • ধাপ ৩: নতুন রিটার্ন ফর্ম খুলে “Revised Return” অপশনটি নির্বাচন করুন।
  • ধাপ ৪: আগের রিটার্ন নম্বর উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করুন।
  • ধাপ ৫: সংশোধন শেষে রিটার্ন পুনরায় সাবমিট করুন এবং নতুন Acknowledgement রসিদ সংরক্ষণ করুন।

📝 টিপস: সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা সাধারণত মূল রিটার্নের শেষ তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে থাকে।

উত্তর

eReturn দাখিলের পর ট্যাক্স পরিশোধ কিভাবে করবো? (চালান/অনলাইন পেমেন্ট)

রিটার্ন দাখিলের পর যদি আপনার ট্যাক্স পরিশোধযোগ্য থাকে, তাহলে আপনি চালান (Challan) এর মাধ্যমে অথবা অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে সহজেই ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারবেন।

  • ধাপ ১: eReturn পোর্টালে লগইন করে “Payment” বা “Tax Payment” মেনুতে যান।
  • ধাপ ২: প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে চালান (Treasury Challan) তৈরি করুন।
  • ধাপ ৩: চালান প্রিন্ট করে নিকটস্থ ব্যাংকে জমা দিন অথবা অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবহারে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  • ধাপ ৪: অনলাইন পেমেন্টের জন্য Sonali Bank, Rupali Bank, Agrani Bank ইত্যাদি সরকারি ব্যাংকের ই-চালান সেবা ব্যবহার করা যায়।
  • ধাপ ৫: পেমেন্ট সম্পন্ন হলে সিস্টেমে আপনার রিটার্নের পাশে “Paid” স্ট্যাটাস দেখাবে।

💡 টিপস: চালান কপি বা অনলাইন পেমেন্ট রসিদ অবশ্যই সংরক্ষণ করুন। এটি পরবর্তীতে যাচাই বা প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজন হতে পারে।

উত্তর

রিটার্ন দাখিলের পর কিভাবে রসিদ (Acknowledgement) ডাউনলোড করবো?

রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন হলে আপনার eReturn পোর্টালে একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হওয়া Acknowledgement রসিদ পাওয়া যায়। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই এটি ডাউনলোড করতে পারেন:

  • ধাপ ১: আপনার eReturn একাউন্টে লগইন করুন।
  • ধাপ ২: মেনু থেকে “Submitted Returns” বা “My Returns” অপশনটি নির্বাচন করুন।
  • ধাপ ৩: সংশ্লিষ্ট রিটার্নটির পাশে থাকা “Download Acknowledgement” বাটনে ক্লিক করুন।
  • ধাপ ৪: রসিদটি PDF আকারে ডাউনলোড হয়ে যাবে, যা আপনি সংরক্ষণ বা প্রিন্ট করতে পারবেন।

❌ কোনো সার্ভিস পাওয়া যায়নি!

✳️ e-Return এর মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন

অনলাইনে e-Return সিস্টেমের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে অনেক করদাতা বিভিন্ন ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হন। বিশেষ করে আয়, বিনিয়োগ, কর রেয়াত, সঞ্চয়পত্র (Savings Certificate), DPS, FDR, ব্যাংক ঋণ, সম্পদ (Asset) ও দায় (Liability) সংক্রান্ত তথ্য ইনপুট দেওয়ার ক্ষেত্রে নানা ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি দেখা যায়।

এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে যাতে আপনি রিটার্ন দাখিলের সময় সহজে বুঝতে পারেন— কোন তথ্য কোথায় দিতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে আয় ও বিনিয়োগের হিসাব উপস্থাপন করতে হবে, এবং কীভাবে কর রেয়াত ও সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন করলে আপনার রিটার্ন গ্রহণযোগ্য হবে।

এছাড়াও, e-Return ফর্ম পূরণের সাধারণ ভুলগুলো কীভাবে এড়ানো যায়, সিস্টেমে ডেটা ইনপুটের টেকনিক্যাল টিপস, এবং কর গণনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করার পদ্ধতি সম্পর্কেও এখানে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এই আলোচনার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের প্রতিটি ধাপে কোন বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এবং কীভাবে নির্ভুলভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়।

উত্তর

🛑 e-Return লগইন সমস্যার সমাধান (Troubleshooting Login Issues)

e-Return-এ লগইন করতে না পারার মূল কারণগুলো এবং তার দ্রুত সমাধান নিচে ছক আকারে দেওয়া হলো।

🔢 সমস্যা (The Issue) কারণ (Possible Cause) সমাধান (The Fix)
১ ❌ ভুল TIN বা পাসওয়ার্ড আপনি হয়তো ভুল টিআইএন (TIN) বা পাসওয়ার্ড দিচ্ছেন (কেস সেন্সিটিভিটি)। ✅ যাচাই করুন: TIN নম্বর এবং পাসওয়ার্ডের বড়/ছোট অক্ষর (Uppercase/Lowercase) সঠিকভাবে লিখেছেন কিনা নিশ্চিত করুন।
২ ❓ পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড মনে নেই। ♻️ Reset করুন: লগইন পেজে গিয়ে “পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?” বা “Forgot Password?” এ ক্লিক করুন। আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে আসা OTP দিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন।
৩ 🔐 অ্যাকাউন্ট লক হয়ে গেছে একাধিকবার (সাধারণত ৫ বারের বেশি) ভুল পাসওয়ার্ড দেওয়ার কারণে সিস্টেম আপনার অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে লক করে দিয়েছে। ⏳ অপেক্ষা করুন: ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করে পুনরায় চেষ্টা করুন। সময়সীমা পার হলে অ্যাকাউন্ট সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনলক হয়।
৪ 🌐 ব্রাউজার বা ক্যাশ সমস্যা ব্রাউজারের পুরনো ডেটা (Cache/Cookies) জমে যাওয়ার কারণে লগইন ত্রুটি দেখা দিতে পারে। 🧹 পরিষ্কার করুন: আপনার ব্রাউজারের ক্যাশ ও কুকিজ মুছে ফেলুন। অথবা ভিন্ন একটি আপডেটেড ব্রাউজার (যেমন Chrome/Edge/Firefox) ব্যবহার করে দেখুন।
৫ 📱 OTP আসছে না পাসওয়ার্ড রিসেট বা রেজিস্ট্রেশনের জন্য পাঠানো OTP আপনার ফোনে পৌঁছাচ্ছে না। 📞 যোগাযোগ: নিশ্চিত করুন যে মোবাইল নম্বরটি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে নিবন্ধিত। সমস্যা থাকলে NBR হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।

💡 অতিরিক্ত টিপস ও সহায়ক তথ্য (Pro Tips & Support)

  • 🔑 পাসওয়ার্ডের শর্তাবলী: কমপক্ষে ৮ অক্ষর, অন্তত একটি বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (@, #, $ ইত্যাদি)।

  • 🌐 অফিসিয়াল পোর্টাল: শুধুমাত্র www.etaxnbr.gov.bd সাইটে লগইন করুন।

  • 🛠️ সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ: NBR মাঝে মাঝে সাইট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখে। কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন।

📞 সরাসরি সহায়তা

যোগাযোগের মাধ্যম বিবরণ
🌐 ওয়েবসাইট www.nbr.gov.bd বা www.etaxnbr.gov.bd
📞 হেল্পলাইন/কল সেন্টার NBR এর ওয়েবসাইটে দেওয়া সর্বশেষ হেল্পলাইন নম্বরটি ব্যবহার করুন।
উত্তর

🔑 e-Return পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে পুনরুদ্ধারের উপায়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের e-Return সিস্টেমে পাসওয়ার্ড হারালে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন 👇


  1. 🌐 অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান: www.etaxnbr.gov.bd সাইটে প্রবেশ করুন। (অফিসিয়াল সাইট ছাড়া অন্য কোথাও লগইন করবেন না)
  2. 🔘 “Login” বাটনে ক্লিক করুন: হোমপেজ থেকে e-Return Login পোর্টালে যান।
  3. 🧩 “পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?” (“Forgot Password?”) অপশনে ক্লিক করুন।
  4. 🔢 আপনার TIN লিখুন: TIN (Tax Identification Number) লিখে “Submit” চাপুন।
  5. 📱 OTP পাবেন: রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি OTP (One Time Password) পাঠানো হবে।
  6. 🔐 প্রাপ্ত OTP দিন: OTP কোডটি লিখে “Verify” করুন।
  7. 🆕 নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করুন: নিচের নিয়ম মেনে নতুন পাসওয়ার্ড দিন —
    • কমপক্ষে ৮ অক্ষরের হতে হবে
    • অন্তত ১টি বড় হাতের অক্ষর (A–Z)
    • অন্তত ১টি ছোট হাতের অক্ষর (a–z)
    • অন্তত ১টি সংখ্যা (0–9)
    • অন্তত ১টি বিশেষ চিহ্ন (@, #, $, %, ইত্যাদি)
  8. ✅ “Submit” চাপুন: পাসওয়ার্ড সফলভাবে পরিবর্তন হলে, নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

⚠️ যদি OTP না আসে

  • নিশ্চিত করুন মোবাইল নম্বরটি আপনার NID দিয়ে নিবন্ধিত।
  • *16001# ডায়াল করে NID যাচাই করতে পারেন।
  • তবুও সমস্যা থাকলে, নিচের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।

📞 NBR সহায়তা কেন্দ্র (Helpdesk)

e-Return লগইন বা পাসওয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যার জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন:

🌐 ওয়েবসাইট www.nbr.gov.bd অথবা www.etaxnbr.gov.bd
📞 হেল্পলাইন NBR ওয়েবসাইটে দেওয়া সর্বশেষ কল সেন্টার নম্বর ব্যবহার করুন।

© জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR), বাংলাদেশ | তথ্যসূত্র: etaxnbr.gov.bd

উত্তর

💰 আয়কর রিটার্নে ইনভেস্টমেন্ট রিবেট (Investment Rebate)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ধারা 44(2) অনুযায়ী, নিচের অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করলে কর রিবেট পাওয়া যায়।


ক্রম খাতের নাম বিবরণ
১ জীবন বীমা প্রিমিয়াম নিজ বা স্বামী/স্ত্রীর নামে প্রদত্ত জীবন বীমার প্রিমিয়াম। অনুমোদিত বীমা কোম্পানির প্রিমিয়াম হতে হবে।
২ সরকারি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, ৩ মাস মেয়াদি মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ইত্যাদি।
৩ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পেনশন ফান্ডে অবদান Recognized Provident Fund বা Pension Fund-এ নিজের অবদান (কর্মচারীর অংশ)।
৪ সরকারি বন্ড বা সঞ্চয় ব্যাংকে বিনিয়োগ ট্রেজারি বন্ড, বাংলাদেশ সঞ্চয় ব্যাংক বা অনুরূপ সরকারি স্কিম।
৫ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঢাকা বা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা ইউনিট ফান্ডে বিনিয়োগ।
৬ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অনুদান অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় বা হাসপাতাল/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অনুদান।
৭ নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নতুন উৎপাদন বা শিল্প প্রকল্পে বিনিয়োগ।
৮ নিজস্ব আবাসন নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় নিজ নামে বাসা নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ে বিনিয়োগ বা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ।
৯ নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Green Energy) সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, বায়োগ্যাস বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ।
১০ দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা তহবিলে অনুদান প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বা অন্যান্য সরকার অনুমোদিত সংস্থায় অনুদান।

📊 রিবেট গণনার নিয়ম

  • রিবেটের হার: সর্বোচ্চ ১৫%
  • বিনিয়োগযোগ্য আয়: মোট করযোগ্য আয়ের সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত
  • উদাহরণ: করযোগ্য আয় ১০,০০,০০০ টাকা হলে সর্বাধিক ২,০০,০০০ টাকার বিনিয়োগের ওপর রিবেট পাবেন → (১৫% × ২,০০,০০০ = ৩০,০০০ টাকা করছাড়)

⚠️ যেসব বিনিয়োগে রিবেট প্রযোজ্য নয়

  • অন্যের নামে সঞ্চয়পত্র বা বিনিয়োগ
  • নগদে অনুদান বা দান (ব্যাংক লেনদেন ছাড়া)
  • অননুমোদিত বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ

📄 রিবেট দাবি করার সময় প্রমাণপত্র

  • বিনিয়োগের মূল রসিদ বা সার্টিফিকেটের কপি
  • সঞ্চয়পত্র/বীমা/শেয়ারের প্রমাণপত্র
  • ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ (যদি প্রযোজ্য হয়)

📘 তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) | আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ (ধারা 44(2))
ওয়েবসাইট: www.nbr.gov.bd

উত্তর

💰 অপ্রদর্শিত জমি বিক্রি করে ফ্ল্যাট ক্রয় ( "Purchasing a flat by selling undisclosed land" )

অপ্রদর্শিত জমি বিক্রি করে ফ্ল্যাট ক্রয়: আয়কর বিবরণী ও লিগ্যাল ট্রিটমেন্ট

মূল ঘটনা / দৃশ্যপট:

  • গ্রামের জমিটি আগে থেকে মালিকানায় ছিল, কিন্তু আগের রিটার্নে Assets & Liabilities-এ দেখানো হয়নি।
  • পরে সেই জমি বিক্রি করে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে।
  • নতুন রিটার্নে ঢাকায় কেনা ফ্ল্যাটটি প্রদর্শন করতে চান।

আসল সমস্যাটি কোথায়?

সমস্যা ফ্ল্যাট কেনায় নয়। NBR-এর FAQ অনুযায়ী, আগের বছরের যে সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরিত হয়ে গেছে, সেটি পরের রিটার্নে আর Asset হিসেবে থাকবে না। আসল সমস্যা হলো—ফ্ল্যাট কেনার টাকার Source হিসেবে যে জমি বিক্রি দেখানো হচ্ছে, তা আগের রিটার্নে ছিল না।

নতুন রিটার্নে: Flat = ৳৫০ লাখ
কর কর্মকর্তার প্রশ্ন: “আগের রিটার্নে জমি না থাকলে, ৫০ লাখ টাকা এলো কীভাবে?”

সবচেয়ে ভালো Treatment ও Documentary Trail

আগের omission (বাদ পড়া) নিয়মিতকরণ (regularize) করার জন্য এবং সুনির্দিষ্ট Chain প্রমাণ করার জন্য নিচের দলিলাদি প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

১. জমির স্বত্ব প্রমাণ: পুরনো দলিল, খতিয়ান এবং মালিকানায় আসার প্রমাণ।
২. বিক্রয়ের প্রমাণ: বিক্রির সাব-কবলা দলিল ও বিক্রয়মূল্য পাওয়ার প্রমাণ।
৩. লেনদেনের ট্রেইল: ব্যাংকে টাকা জমার Bank Statement এবং ফ্ল্যাট ক্রয়ের Payment Trail।
৪. ফ্ল্যাটের দলিল: ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন দলিল ও Acquisition Expenses-এর চালান।
Chain: পুরনো জমি ➔ জমি বিক্রি ➔ বিক্রির টাকা ➔ ফ্ল্যাট ক্রয়

মূলধনী আয় (Capital Gain) ও কর আইন:

জমি বিক্রির পুরো টাকাটাই সরাসরি “Income” নয়। Acquisition cost এবং Transfer-related expenses বাদ দিয়ে Capital Gain হিসাব করতে হবে। Income Tax Act, 2023 (২০২৫ সংশোধনীসহ updated version) অনুযায়ী Capital Asset Transfer-এর জন্য নির্ধারিত নিয়মে কর পরিগণনা করতে হবে।

বাস্তবমুখী উদাহরণ (Case Study):

বিবরণ পরিমাণ (টাকা)
২০১৮ সালে জমির অর্জনমূল্য (আগে return এ প্রদর্শিত নয়) ১০,০০,০০০/-
২০২৫ সালে জমি বিক্রি (Cash Inflow/Source) ৪০,০০,০০০/-
২০২৫ সালে ঢাকায় ফ্ল্যাট ক্রয় (Asset) ৩৮,০০,০০০/-
অবশিষ্ট ব্যাংকে স্থিতি (Financial Asset) ২,০০,০০০/-

Practical Return Summary & Adjustment

Source of Fund Sale proceeds of rural land: Tk. 40,00,000
Asset Purchased Dhaka flat: Tk. 38,00,000
Closing Financial Asset Bank balance: Tk. 2,00,000

📌 Capital Gain-এর আইনি ব্যাখ্যা ও হিসাব (Income Tax Act, 2023):

Income Tax Act, 2023-এর section 57-58 অনুযায়ী capital asset transfer থেকে capital gain হয় এবং সাধারণভাবে sale/transfer price ও acquisition cost-এর পার্থক্য দিয়ে capital gain নির্ধারিত হয়।

Simplified Example:
• Sale price = ৪০ লাখ টাকা
• Acquisition cost = ১০ লাখ টাকা
তাহলে প্রাথমিকভাবে: Capital gain = (৪০ − ১০) = ৩০ লাখ টাকা

তবে প্রকৃত হিসাবের ক্ষেত্রে transfer-related allowable expenses, applicable valuation rules এবং সংশ্লিষ্ট বছরের বিধান দেখতে হবে।

তাই Income Section-এ:
Income from Capital Gain ➔ জমি বিক্রির transaction অনুযায়ী প্রযোজ্য capital gain দেখাবেন (৪০ লাখ টাকা নয়)।

Practical Working Paper: Reconciliation Sheet

ব্যক্তিগত রেকর্ড ও আয়কর ফাইলের সহায়তার জন্য ইন্টারনাল হিসাব

A. Old Asset
Rural land acquired in 2018 ( যেটা Return এ দেখানো হয় নাই ) Tk. 10,00,000
B. Sold in 2025 ( Return এ অপ্রদশিত Asset )
Sale proceeds Tk. 40,00,000
C. Capital Gain Calculation
Sale consideration Tk. 40,00,000
Less: Allowable acquisition/transfer costs [actual amount]
Capital gain [calculated amount]
D. Money Trail
Bank received from land sale Tk. 40,00,000
E. Utilisation
Flat purchase Tk. 38,00,000
Bank closing balance Tk. 2,00,000
F. Closing Assets
Flat Tk. 38,00,000
Bank Tk. 2,00,000
Land Nil

🔍 রিটার্ন জমা দেওয়ার আগের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা (Historical Source)

শুধু ২০২৫ সালে ৪০ লাখ টাকার Sale Proceeds দেখিয়ে দিলেই বিষয়টি পুরোপুরি Clean Reconciliation হয়ে গেল—এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। ট্যাক্স অথরিটি জানতে চাইতে পারে:

মূল প্রশ্ন: “২০১৮ সালে ১০ লাখ টাকা দিয়ে জমিটি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল?”

যদি সেই ১০ লাখ টাকা তখনকার বৈধ বেতনের আয় (Salary), ব্যবসার আয় (Business Income), উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্তি (Inherited Property), দান (Gift), কিংবা পূর্বের সঞ্চয় (Past Savings) হয়ে থাকে—তবে তার Supporting Evidence অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমি কেনার ঐতিহাসিক উৎসের প্রমাণ না থাকলে পরবর্তীতে অডিট হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।


⚠️ সতর্কবার্তা: ভুল পদ্ধতি এড়িয়ে চলুন

জমি আগে রিটার্নে ছিল না বলে ফ্ল্যাটের Source হিসেবে ভুল করেও “নিজস্ব সঞ্চয়” বা “অন্যান্য আয়” দেখিয়ে টাকা মিলাতে যাবেন না। NBR-এর রিটার্নে Income, Expenditure এবং Asset/Liability-এর মধ্যে যৌক্তিক সামঞ্জস্য থাকা বাধ্যতামূলক।

Author Avatar

Web Tech Info Bangla Editorial Team

ওয়েব টেক ইনফো বাংলা টিম স্বাস্থ্য, গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দৈনন্দিন লাইফস্টাইল নিয়ে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন নির্ভরযোগ্য তথ্য পরিবেশন করে।

🛠️ Our Services

আমাদের সেবাসমূহ

আয়কর, ভ্যাট (TDS/VDS), হিসাবরক্ষণ ও কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা এক জায়গায় — অভিজ্ঞ ITP ও পরামর্শকদের তত্ত্বাবধানে।

আয়কর রিটার্ন দাখিল

ব্যক্তি, ফার্ম ও কোম্পানির জন্য সম্পূর্ণ নির্ভুল ও সময়মতো অনলাইন আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল — সম্পদ-দায় বিবরণী সহ।

বিস্তারিত জানুন

TDS / VDS পরামর্শ

উৎসে কর ও উৎসে ভ্যাট কর্তনের সঠিক হার নির্ধারণ, চালান প্রস্তুতকরণ এবং NBR-এর নিয়ম মেনে জমাদান নিশ্চিতকরণ।

বিস্তারিত জানুন

e-TIN রেজিস্ট্রেশন

নতুন TIN নিবন্ধন, তথ্য সংশোধন এবং হারানো TIN সার্টিফিকেট পুনরুদ্ধারে সার্বক্ষণিক সহায়তা।

বিস্তারিত জানুন

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন

RJSC-তে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, ওয়ান পারসন কোম্পানি বা পার্টনারশিপ ফার্ম গঠন ও ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তিতে সহায়তা।

বিস্তারিত জানুন

হিসাবরক্ষণ ও অডিট

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মাসিক/বার্ষিক হিসাবরক্ষণ, আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং অভ্যন্তরীণ অডিট সেবা।

বিস্তারিত জানুন

ট্যাক্স অডিট ও আপিল সহায়তা

কর অঞ্চলের নোটিশ, শুনানি ও অ্যাসেসমেন্টে প্রতিনিধিত্ব, এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR)-তে পেশাদার সহায়তা।

বিস্তারিত জানুন

আপনার প্রয়োজনীয় সেবাটি খুঁজে পাননি?

সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন — বিনামূল্যে প্রাথমিক পরামর্শ নিন।

যোগাযোগ করুন
⚙️ অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড — কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট
এই মানগুলো সংরক্ষণ করলে হিরো ব্যানার, স্ল্যাব টেবিল ও ক্যালকুলেটর — সবগুলোতে সাথে সাথে প্রতিফলিত হবে।

বিনিয়োগের বিপরীতে কর রেয়াত

একজন ব্যক্তি করদাতা নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ করলে তার প্রদেয় করের উপর করছাড় পান — একে বিনিয়োগের বিপরীতে কর রেয়াত বলা হয়।

কর রেয়াত বলতে কর কমানো বা কর কম দেয়াকে বোঝায়। বিনিয়োগ বা দান হল কর রেয়াতের বৈধ উপায়।

প্রতি বছর জুলাই থেকে পরের বছরের জুন পর্যন্ত এই ১২ মাসের আয়ের ওপর কর বসে। এই সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ করলে কর রেয়াত পাওয়া যায়।

কর রেয়াত নির্ধারণের ভিত্তি (নিম্নের তিনটির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন)

১. মোট আয়ের ৩%
নির্দিষ্ট বাদ-যাওয়া (Exempted) আয় ব্যতিরেকে
২. বিনিয়োগের ১৫%
ষষ্ঠ তফসিলের অংশ-৩ অনুযায়ী অনুমোদিত খাতে
৩. ১০,০০,০০০ টাকা
সর্বোচ্চ ক্যাপ সীমা (দশ লক্ষ টাকা)

অনুমোদিত প্রধান বিনিয়োগ খাতসমূহ ( যেসব খাতে বিনিয়োগ করলে আপনাকে আয়কর কম দিতে হবে )

ক্র. বিনিয়োগ / দানের খাত সর্বোচ্চ সীমা / শর্তাবলি
০১ জীবন বীমা প্রিমিয়াম (নিজ/স্বামী-স্ত্রী/সন্তান) বীমা মূল্যের সর্বোচ্চ ১০%
০২ প্রভিডেন্ট ও ভবিষ্যৎ তহবিলে চাঁদা স্বীকৃত তহবিলে জমাকৃত অর্থ
০৩ সরকারি সিকিউরিটিজ ও ট্রেজারি বন্ড সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা
০৪ ইউনিট সার্টিফিকেট ও মিউচুয়াল ফান্ড সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা
০৫ ডিপিএস (DPS) সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা
০৬ সার্বজনীন পেনশন স্কিম যেকোনো পরিমাণ
০৭ তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে নতুন বিনিয়োগ শেয়ার/ডিবেঞ্চার ক্রয়কৃত বিনিয়োগ
০৮ যাকাত তহবিল ও অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে দান সরকারি অনুমোদিত দাতব্য/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কর রেয়াত দাবির জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সাথে বিনিয়োগের যথাযথ প্রমাণপত্র (যেমন: ডিপিএস স্টেটমেন্ট, বীমা প্রিমিয়াম রসিদ, পেনশন জমার রসিদ ইত্যাদি) সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর হার (২০২৬–২০২৭ করবর্ষ)

স্ল্যাবহার
  • মহিলা ও ৬৫+: করমুক্ত সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা
  • প্রতিবন্ধী/তৃতীয় লিঙ্গ: করমুক্ত সীমা ৫,২৫,০০০ টাকা
  • মুক্তিযোদ্ধা/জুলাই যোদ্ধা: করমুক্ত সীমা ৫,৫০,০০০ টাকা

আগামী ৫ বছরের (২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০-৩১ করবর্ষ) প্রস্তাবিত দীর্ঘমেয়াদী করকাঠামো

Corporate Income Tax — Assessment Year ↔

CategoryAY 25/26 (%)AY 26/27–27/28 (%)

শর্তাবলী প্রযোজ্য — সম্পূর্ণ তালিকার জন্য NBR-এর সরকারি প্রকাশনা দেখুন।

বাংলাদেশের Income Tax Act, 2023 অনুযায়ী Entertainment Cost-এর Allowable Deduction

Allowable Entertainment Expense

ব্যবসায়িক আয় (Entertainment Expense বাদ দিয়ে গণনা করা Business Income) এর উপর:

  • প্রথম ৳১০,০০,০০০ পর্যন্ত আয়ের ৪%
  • অবশিষ্ট আয়ের ২%
Formula
Allowable Entertainment Expense = (4% × First Tk. 10,00,000) + (2% × Balance Business Income)

উদাহরণসমূহ

উদাহরণ–১

Business Income (before entertainment expense): ৳৮,০০,০০০

Allowable Entertainment Expense: ৳৮,০০,০০০ × ৪% = ৳৩২,০০০

উদাহরণ–২

Business Income (before entertainment expense): ৳৫০,০০,০০০

• First 10,00,000 × 4% = ৳৪০,০০০
• Remaining 40,00,000 × 2% = ৳৮০,০০০

Total Allowable = ৳১,২০,০০০

উদাহরণ–৩

Actual Expense: ৳৯০,০০০
Business Income: ৳৫০,০০,০০০
Limit: ৳১,২০,০০০

Allowable Deduction = Actual Expense = ৳৯০,০০০ (কারণ প্রকৃত ব্যয় সীমার চেয়ে কম)

উদাহরণ–৪

Actual Expense: ৳২,০০,০০০
Business Income: ৳৫০,০০,০০০
Limit: ৳১,২০,০০০
Allowable Deduction = ৳১,২০,০০০ | Disallowance = ৳৮০,০০০

📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য: হিসাবের সীমা (4% + 2% সূত্রে নির্ধারিত) যতই হোক, প্রকৃত ব্যয়ের বেশি কখনো Allowable হবে না। তাই Allowable Entertainment Expense হবে Actual Expense এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত Limit—এই দুইটির মধ্যে যেটি কম।

বাংলাদেশের আয়কর আইন অনুযায়ী Promotional Cost / Expense-এর Allowable Deduction

আইন ও নিয়মাবলি (কর বছর ২০২৬–২৭)

Promotional Expense-এর যে অংশ প্রকাশিত (disclosed) ব্যবসায়িক টার্নওভারের ০.৫০% (0.50%) অতিক্রম করবে, সেই অতিরিক্ত অংশ Allowable Deduction হবে না (Disallowed expense হিসেবে গণ্য হবে)।

Formula
Maximum Allowable Promotional Expense = 0.50% × Disclosed Business Turnover

উদাহরণসমূহ

উদাহরণ–১ (সীমার মধ্যে ব্যয়)

Business Turnover: ৳১০,০০,০০,০০০ (১০ কোটি)
Actual Promotional Expense: ৳৪,০০,০০০
Limit (0.50% × ৳১০,০০,০০,০০০): ৳৫,০০,০০০
যেহেতু Actual Expense (৳৪,০০,০০০) < Limit (৳৫,০০,০০০)
👉 Allowable Deduction = ৳৪,০০,০০০

উদাহরণ–২ (সীমা অতিক্রমের ক্ষেত্রে)

Business Turnover: ৳১০,০০,০০,০০০ (১০ কোটি)
Actual Promotional Expense: ৳৭,০০,০০০
Limit: ৳৫,০০,০০০
👉 Allowable Deduction = ৳৫,০০,০০০  |  ❌ Disallowed Expense = ৳২,০০,০০০

📌 ব্যাখ্যা ও সংজ্ঞা: আইনে Promotional Expense বলতে ব্যবসা বা পেশার প্রচারের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নগদ, পণ্য (in kind), বা অন্য কোনো সুবিধা প্রদান বাবদ ব্যয়কে বোঝায়।

আয়কর রিটার্নে বিদেশ ভ্রমণ খরচ (Foreign Tour Cost) দেখানোর সঠিক নিয়ম

বাংলাদেশের আয়কর রিটার্নে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিদেশ ভ্রমণ খরচ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এটি মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় (Personal & Family Expenditure) অংশে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।

১. ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিদেশ ভ্রমণ (Personal Travel)

  • কোনো নির্দিষ্ট লিমিট নেই: ব্যক্তিগত ভ্রমণের ক্ষেত্রে খরচের ওপর কোনো প্রকার ট্যাক্স ছাড় বা লিমিট (Ceiling) নেই। এটি কেবল আপনার জীবনযাত্রার মোট ব্যয়ের হিসাব বজায় রাখার অংশ।
  • কী কী তথ্য দিতে হবে: বিমান ভাড়া, হোটেল খরচ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের বাস্তবসম্মত মোট হিসাব জীবনযাত্রার ব্যয় বিবরণীতে তুলে ধরতে হবে।
  • বৈধ আয়ের উৎস: ভ্রমণের মোট খরচ আপনার প্রদর্শিত বার্ষিক বৈধ আয় ও ব্যাংক এনডোর্সমেন্টের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
  • ভ্রমণ কর (Travel Tax): টিকিটের সাথে বা ব্যাংকের মাধ্যমে যে ভ্রমণ কর প্রদান করা হয়, তার চালান বা প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করা উচিত।

২. ব্যবসা বা কোম্পানির ক্ষেত্রে ভ্রমণ (Business Travel)

ব্যবসার প্রসারে (যেমন: কনফারেন্স, মিটিং বা ক্লায়েন্ট ডিল) কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫৫ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমা প্রযোজ্য:

অনুমোদনযোগ্য সীমা (Allowable Limit) = বার্ষিক মোট টার্নওভারের (Turnover) সর্বোচ্চ ০.৫০%
  • অতিরিক্ত ব্যয় (Disallowable): ০.৫০% সীমার বাইরের অতিরিক্ত খরচ কর কর্তৃপক্ষ বাতিল করে তার ওপর নিয়মিত হারে কর ধার্য করতে পারে।
  • প্রমাণপত্র সংরক্ষন: প্রকৃত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য প্রমাণে ইনভয়েস, পাসপোর্টের কপি, এবং জেনুইন টিকিটের প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

সংক্ষেপে তুলনামূলক চিত্র

খাতের প্রকৃতি নির্দিষ্ট সীমা (Ceiling) আছে? মূল বিবেচ্য বিষয়
ব্যক্তিগত ভ্রমণ না, কোনো লিমিট নেই। খরচের টাকা আপনার বৈধ ও কর-পরিশোধিত আয় থেকে হয়েছে কিনা।
ব্যবসায়িক ভ্রমণ হ্যাঁ, টার্নওভারের ০.৫০% পর্যন্ত। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে খরচ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রমাণ থাকা।

📌 কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? অপ্রদর্শিত অর্থ দিয়ে অতিরিক্ত বিদেশ ভ্রমণ বা বিলাসিতা করলে তা কর কর্তৃপক্ষের নজরে আসতে পারে। পরবর্তীতে অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে বড় অঙ্কের জরিমানা বা পেনাল্টি হতে পারে।

বাংলাদেশের আয়কর আইন অনুযায়ী Royalties & Technical Fees-এর Allowable Deduction

আইন ও অনুমোদনযোগ্যতার সীমা (Allowable Limit)

ব্যবসা বা পেশার আয় পরিগণনায় Royalty, Technical Know-how, Technical Assistance, Technical Service Fee, Franchise Fee বা License Fee বাবদ পরিশোধিত খরচের সর্বোচ্চ অনুমোদনযোগ্য সীমা নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে:

  • ব্যবসায়িক টার্নওভারের (Turnover) ৬% (6%)
  • অথবা,
  • ব্যবসায়িক নিট মুনাফার (Net Profit - রয়্যালটি খরচের পূর্বে) ১৫% (15%)

👉 এই দুইটির মধ্যে **যেটি কম (Lower of the two)**, সেটিই হবে সর্বোচ্চ অনুমোদনযোগ্য সীমা (Limit)।

Formula
Maximum Limit = Lower of [ (6% × Business Turnover) OR (15% × Net Profit Before Royalty) ]
Allowable Deduction = Lower of [ Actual Royalty Paid OR Maximum Limit ]

উদাহরণসমূহ

উদাহরণ–১ (প্রকৃত খরচ সীমার নিচে)

• Business Turnover: ৳১০,০০,০০,০০০ (১০ কোটি)
• Net Profit (before Royalty): ৳২,০০,০০,০০০ (২ কোটি)
• Actual Royalty Expense: ৳২৫,০০,০০০
সীমা নির্ধারণ:
১. 6% of Turnover (১০ কোটি) = ৳৬০,০০,০০০
২. 15% of Net Profit (২ কোটি) = ৳৩০,০০,০০০
👉 Maximum Limit (কমটি): ৳৩০,০০,০০০
যেহেতু Actual Expense (৳২৫,০০,০০০) < Limit (৳৩০,০০,০০০)
👉 Allowable Deduction = ৳২৫,০০,০০০ (সম্পূর্ণ অনুমোদনযোগ্য)

উদাহরণ–২ (প্রকৃত খরচ সীমা অতিক্রম করেছে)

• Business Turnover: ৳১০,০০,০০,০০০ (১০ কোটি)
• Net Profit (before Royalty): ৳২,০০,০০,০০০ (২ কোটি)
• Actual Royalty Expense: ৳৪০,০০,০০০
সীমা নির্ধারণ:
১. 6% of Turnover = ৳৬০,০০,০০০
২. 15% of Net Profit = ৳৩০,০০,০০০
👉 Maximum Limit (কমটি): ৳৩০,০০,০০০
👉 Allowable Deduction = ৳৩০,০০,০০০  |  ❌ Disallowed Expense = ৳১০,০০,০০০

📌 অন্যান্য আবশ্যিক শর্তাবলি (Mandatory Conditions):

  • উৎসে কর ও ভ্যাট কর্তন (TDS/VDS): পরিমাণের সীমা যাই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হারে উৎসে কর (TDS/WHT) এবং ভ্যাট (VAT) কর্তন ও সরকারি কোষাগারে জমা না দিলে পুরো অর্থই Disallowed হয়ে যাবে।
  • ব্যাংকিং চ্যানেল: খরচ পরিশোধ অবশ্যই নিয়মানুযায়ী ব্যাংক বা ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে হতে হবে।
  • অনিবাসীদের ক্ষেত্রে: অনিবাসী (Non-resident) বা বিদেশি সত্ত্বাকে রয়্যালটি প্রদানের ক্ষেত্রে BIDA অনুমোদন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্স নিয়মাবলি পরিপালন করতে হবে।

Corporate - Taxes on Corporate Income- কোম্পানি করহার

Last reviewed - 14 July 2026

A resident company is taxed on its worldwide income. A non-resident company is taxed only on income that accrues, arises, or is received in Bangladesh, or that is deemed to accrue, arise, or be received in Bangladesh.

Assessment Year (AY) Definition

Assessment year (AY) is defined as the period starting from 1 July of a year after the end of any tax year or accounting year of the company.

Examples:
  • For a tax year from 1 July 2025 to 30 June 2026, the AY will be from 1 July 2026 to 30 June 2027.
  • For a tax year from 1 January 2025 to 31 December 2026, the AY will be from 1 July 2026 to 30 June 2027.

A subsidiary or a branch of a foreign company may apply to the Board and seek approval for a different tax year in Bangladesh in alignment with its parent’s tax year.

Corporate Income Tax (CIT) Rates

The CIT rates applicable to a Bangladeshi company and a foreign company for 2026/27, 2027/28 and 20278/29 are as follows:

Category of taxpayer AY 2026/27 AY 2027/28 and 2028/29
Applicable tax rate in case conditions are met (%) * Applicable tax rate (%) Applicable tax rate in case conditions are met (%) ** Applicable tax rate (%)
Publicly traded company that issues shares worth more than 10% of its paid-up capital through an initial public offering (IPO) 22.5 25 20.00 25
Publicly traded company that issues share worth 10% of its paid-up capital through an IPO 25 250 25 25
Publicly traded company that issues shares worth less than 10% of its paid-up capital through an IPO 25 25 25 25
Non-publicly traded company 27.5 27.50 27.50 27.50
One person company 22.5 22.5 22.5 22.5
Publicly traded bank, insurance, or financial institution (except merchant bank) 37.50 37.50 37.50 37.50
Non-publicly traded bank, insurance, or financial institution 40.00 40.00 40.00 40.00
Merchant bank 37.50 37.50 37.5 37.5
Company producing all types of tobacco items, including cigarette, bidi, chewing tobacco, and gul 45% + 2.5% (surcharge) 45% + 2.5% (surcharge) 45% + 2.5% (surcharge) 45% + 2.5% (surcharge)
Publicly traded mobile operator company 40.00 40.00 40.00 40.00
Non-publicly traded mobile operator company 45.00 45.00 45.00 45.00
Association of persons (AOP) 27.50 27.50 27.50 27.50
Trust, and other taxable entities 27.50 27.50 27.50 27.50
Firm At slab rates as applicable to of individuals At slab rates as applicable to of individuals 27.50 27.50
Private university, private medical college, private dental college, private engineering college, or private college solely dedicated to imparting education on information and communication technology 10.00 10.00 10.00 10.00

* Conditions for AY 2025/26:

  • All receipts and income must be transacted through bank transfer.
  • All expenses and investments over 500,000 BDT individually (BDT 3.6 million if aggregated annually) must be made through bank transfer.

** Conditions for AY 2026/27 and 2027/28:

All income is received through bank transfer.

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) eReturn গাইডলাইন

সহজ ৭টি ধাপে আপনার আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করুন

✓ প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ

  • ১২ ডিজিটের e-TIN নম্বর।
  • বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর (যা আপনার e-TIN এর সাথে মিল থাকা আবশ্যক)।
  • আয়ের সনদপত্র (বেতন সনদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার ডিক্লারেশন ইত্যাদি)।
  • রেয়াত পাওয়ার জন্য বিনিয়োগের প্রমাণপত্র (সঞ্চয়পত্র, DPS, জীবন বীমা, সার্বজনীন পেনশন ইত্যাদি)।

অনলাইন সাবমিশন ধাপসমূহ

ধাপ ১

রেজিস্ট্রেশন ও লগইন

eReturn পোর্টালে গিয়ে "Registration" অপশনে ক্লিক করে TIN এবং বায়োমেট্রিক মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP ভেরিফাই করে পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। পরবর্তীতে আপনার TIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন।

ধাপ ২

অ্যাসেসমেন্ট তথ্য নির্বাচন

সঠিক কর বছর (Assessment Year), আবাসিক মর্যাদা (Residential Status) এবং আপনার আয়ের উৎসসমূহ (যেমন: চাকরি, ব্যবসা, বাড়ি ভাড়া ইত্যাদি) টিক দিন।

ধাপ ৩

আয়ের বিবরণী (Income Details)

নির্বাচিত ক্যাটাগরি অনুযায়ী আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করুন। যেমন- মূল বেতন, ভাতা, সিকিউরিটিজের মুনাফা বা ব্যবসায়িক আয়ের হিসাব সঠিকভাবে ইনপুট দিন।

ধাপ ৪

বিনিয়োগ ও কর রেয়াত (Rebate)

কর ছাড় বা রেয়াত পেতে অনুমোদিত বিনিয়োগ যেমন: DPS, জীবন বীমা, সঞ্চয়পত্র, যাকাত বা সার্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা করা টাকার পরিমাণ লিপিবদ্ধ করুন।

ধাপ ৫

সম্পদ ও দায় বিবরণী (IT-10B / IT-10BB)

আপনার বার্ষিক পারিবারিক জীবনযাত্রা ব্যয় এবং নিজের মোট সম্পদ, দায় (ঋণ) ও পূর্ববর্তী বছরের নিট সম্পদের হিসাব প্রদান করুন যাতে আয়ের সাথে সামঞ্জস্য থাকে।

ধাপ ৬ ও ৭

রিভিউ, ট্যাক্স প্রদান ও সাবমিশন

আপনার পূরনকৃত ফরমের প্রিভিউ দেখে সকল হিসাব যাচাই করে নিন। কোনো প্রদেয় কর (Tax Payable) থাকলে তা অনলাইন গেটওয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করুন এবং Submit Return-এ ক্লিক করুন।

আপনার কাজ শেষ! সাথে সাথেই ডাউনলোড করে নিন আপনার Acknowledgment Receipt এবং Proof of Submission Return (PSR) সার্টিফিকেট।

স্বচ্ছ ও নির্ভুল আয়কর রিটার্ন নিশ্চিত করতে আপনার যাবতীয় নথিপত্র হাতে নিয়ে সেশন শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কর অঞ্চল (Tax Zone) কী?

কর অঞ্চল (Tax Zone)

কর অঞ্চল (Tax Zone) হলো সরকারের রাজস্ব বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা, সীমানা বা প্রশাসনিক ইউনিট, যার অধীনে নির্দিষ্ট অঞ্চলের করদাতাদের কর নির্ধারণ, আদায় এবং করসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি পরিচালনা করা হয়।

সহজ কথায়, করদাতাদের কর সেবা সহজে পৌঁছে দিতে এবং রাজস্ব আদায়ের প্রশাসনিক কাজ সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য পুরো দেশকে যে আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করা হয়, তাকে কর অঞ্চল বলে।। বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশের রাজস্ব প্রশাসনের সুবিধার্থে এই কর অঞ্চল বা ট্যাক্স জোন (Tax Zone) বিভাজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রধান ব্যবহার ও প্রয়োগ ক্ষেত্র

🛒 ই-কমার্স ও শিপিং
ক্রেতার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় কর (Sales Tax) বা ভ্যাট নির্ধারণ করার জন্য নির্ধারিত শিপিং অঞ্চল।
🏢 বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
বাণিজ্যিক সুবিধার জন্য নির্ধারিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (যেমন: EPZ বা FTZ), যেখানে ট্যাক্স হালিডে, শুল্ক ছাড় বা কম হারে কর সুবিধা প্রদান করা হয়।
🏛️ প্রশাসনিক কর এলাকা
আঞ্চলিক কর কার্যালয় বা রাজস্ব সীমা, যেখানে কোনো ব্যক্তিশ্রেণী বা প্রতিষ্ঠানকে তাদের অবস্থান বা পেশার ধরণ অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়।
🏞️ দুর্গম বা বিশেষ অঞ্চলের ট্যাক্স অফসেট
দূরবর্তী বা দুর্গম অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য বিশেষ ভাতা, কর ছাড় বা কর সমন্বয় সুবিধা সম্বলিত ভৌগোলিক সীমানা।

📌 সারসংক্ষেপ: 'কর অঞ্চল' এর নির্দিষ্ট অর্থ নির্ভর করে আপনি এটি ই-কমার্স লেনদেন, আঞ্চলিক আয়কর প্রশাসন নাকি বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করছেন তার উপর।

আয়কর সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসা ও সমাধান (FAQ)

করবছর ২০২৬–২০২৭ (Income Tax Act, 2023 অনুযায়ী আপডেটকৃত)

ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের আয়কর, রিটার্ন দাখিল, রেয়াত এবং আইনি বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও সহজ পরামর্শ নিচে উপস্থাপন করা হলো।

❓ আয়কর ও আয়কর রিটার্ন কী?
আয়কর: সরকারের রাজস্ব আহরণের প্রধান খাতগুলোর একটি। নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত আয়ের উপর আইনানুযায়ী নির্ধারিত হারে যে কর প্রদান করতে হয়, তাকে আয়কর বলে।
আয়কর রিটার্ন: সরকারের নির্ধারিত ফরমে (বা e-Tax Portal-এ) বার্ষিক আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের হিসাব বিবরণী দাখিল করার নামই হলো আয়কর রিটার্ন।
❓ রিটার্ন কোথায় এবং কীভাবে দাখিল করতে হয়?
আপনার e-TIN এ উল্লেখিত নির্দিষ্ট কর সার্কেল বা কর অঞ্চলে জমা দিতে হবে। বর্তমানে এনবিআর-এর e-Return Portal এর মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক/সুবিধাজনক। বিদেশে অবস্থানরত করদাতারা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবস্থার মাধ্যমে বা অনলাইনে জমা দিতে পারেন।
❓ শূন্য (Zero Tax) রিটার্ন কী? এতে কোনো সরকারি ফি দিতে হয়?
করযোগ্য আয় যদি করমুক্ত সীমার (যেমন: সাধারণ পুরুষ করদাতার জন্য ৩,৫০,০০০ টাকা) নিচে থাকে, তবে কোনো কর পরিশোধ না করে যে রিটার্ন জমা দেওয়া হয় তাকে জিরো রিটার্ন বলে। এটি সাধারণ রিটার্ন ফরমেই দাখিল করতে হয় এবং এর জন্য সরকারকে কোনো সরকারি চার্জ বা ফি দিতে হয় না।
❓ করযোগ্য আয় না থাকলেও কি রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক?
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ধারা ১৬৬ বা নির্দিষ্ট বিধিমালা দ্বারা বাধ্যবাধকতা থাকা ক্ষেত্রে (যেমন: ৩৮টি নির্দিষ্ট সেবা গ্রহণে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বা PSR প্রয়োজন হলে) করযোগ্য আয় না থাকলেও ই-টিনধারী হলে জিরো রিটার্ন হলেও দাখিল করতে হবে।
❓ আমার মাসিক বেসিক ৪২০,০০০ টাকা বা নির্দিষ্ট বেতন হলে কর কত আসবে?
আয়কর কেবল বেসিক সেলারির উপর নির্ভর করে না। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব ভাতা, বিনিয়োগ রেয়াত (LTA, DPS, সঞ্চয়পত্র) ইত্যাদি তথ্য ও হিসাব বিশ্লেষণ করে মোট কর নির্ধারণ করতে হয়।
❓ ৩ বছর আগে ই-টিন করেছিলাম কিন্তু রিটার্ন দাখিল করিনি, এখন করণীয় কি?
অতীতের বছরগুলোতে করযোগ্য আয় থাকলে আগের বছরের রিটার্নসহ জরিমানা ও বিলম্ব সুদ পরিশোধ সাপেক্ষে জমা দেওয়া উচিত। তবে করযোগ্য আয় না থাকলে বর্তমান করবছরের রিটার্ন দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।
❓ আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সম্পত্তি প্রদর্শন প্রসঙ্গে
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: নিজ নামে থাকা সকল সক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণী দিতে হবে।
• দান/উত্তরাধিকার সম্পত্তি: পিতা বা পরিবার থেকে প্রাপ্ত জমি/সম্পত্তির ওপর আয়কর দিতে হবে না, তবে বণ্টননামা/দানপত্র দলিল দ্বারা সম্পদ ও দায়ের বিবরণীতে (IT-10B) প্রদর্শন করতে হবে।
❓ বাড়িভাড়া আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বাধ্যবাধকতা
বাড়িভাড়ার মোট আয় অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করলে বা নির্দিষ্ট সীমার বেশি ভাড়া আদায়ে তা ব্যাংকিং চ্যানেল বা ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়, অন্যথায় বিধিসম্মত অনুমোদিত খরচ (Repair & Maintenance) বাতিলের আইনি ঝুঁকি থাকে।
❓ উৎস থেকে আয়কর কেটে রাখা (TDS) হলে কি রিটার্ন দিতে হবে?
হ্যাঁ, বেতন বা অন্য উৎস থেকে কর কেটে নেওয়া হলেও রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। রিটার্নের সাথে চালানের কপি বা চালানের তথ্য সম্বলিত TDS Certificate জমা বা ইনপুট দিয়ে ওই কর্তিত কর সমন্বয় করতে হবে।
❓ ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল
আইটি বা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কিছু অনুমোদিত খাত ব্যাংক চ্যানেলে বৈদেশি মুদ্রা এলে অব্যাহতিপ্রাপ্ত (Tax Exempted) হলেও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রিটার্নে প্রদর্শনী বাধ্যতামূলক।
❓ ব্যক্তিগত গাড়ির অগ্রিম কর (Advance Tax) কি করদায়ের সাথে সমন্বয়যোগ্য?
হ্যাঁ, ব্যক্তিগত মোটরযান নিবন্ধনের সময় পরিশোধিত অগ্রিম কর (AIT) রিটার্নে দেখিয়ে মোট গণনা করা আয়করের সাথে সমন্বয় করা যায়।
📊 ন্যূনতম করের হার (Minimum Tax Structure)

করযোগ্য আয় থাকলে আইন অনুযায়ী হিসাবকৃত কর যতই কম আসুক না কেন, এলাকা ভেদে সর্বনিম্ন এই কর পরিশোধ করতে হয়:

ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন: ৳ ৫,০০০
অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকা: ৳ ৪,০০০
সিটি কর্পোরেশন ব্যতিরেকে অন্যান্য এলাকা: ৳ ৩,০০০
জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎকর্ষ আমাদের প্রভাবিত করে। আলোকিত করে। প্রযুক্তি আর জ্ঞানের সেই অসীম সম্ভাবনা আমাদের প্রতিদিনের জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলে। Web Tech Info- এর লক্ষ্য, এই আলোকে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়া । সেই লক্ষেই সব কিছু, এক জায়গায়—বাংলায়।
✅ আশা করি,
এরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে আমাদের
"Web Tech Info ব্লগ সাইটটি"

Follow দিয়ে রাখুন অথবা হোম পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

Admin Photo Admin পরিচিতি

জাকির হোসেন একজন প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগার, কনটেন্ট নির্মাতা ও ওয়েব ডেভেলপার। তিনি প্রযুক্তি, অনলাইন আয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ব্লগিং এবং এসইও বিষয়ক লেখা নিয়ে ZakirZone.com ব্লগ পরিচালনা করছেন ২০১৫ সাল থেকে।


  • 👉 Owner & Admin: Web Tech Info এর পক্ষে Md Zakir Hossain (Frontend Developer and Tech Blogger) Building responsive websites using HTML, CSS & JavaScript.
  • 🌐 নেট দুনিয়ায় অভিজ্ঞতাঃ 🌍 নেট দুনিয়ায় এক দশকেরও বেশি সময়ের ব্লগিং ও 💻 ফ্রিল্যান্সিং অভিজ্ঞতা
  • 🎯 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য, নির্ভরযোগ্য এবং মানসম্মত প্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট সরবরাহ করা।

📧 যোগাযোগ: contact@zakirzone.com
🌐 ওয়েবসাইট: www.zakirzone.com


🎯 আমার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে 💚 নতুন কিছু শেখা এবং সেই জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা। আমি বিশ্বাস করি, শেখার কোনো শেষ নেই — আর তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে আমরা একে অপরের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।

আমার অভিজ্ঞতা ও আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে আমি ZakirZone.com ব্লগটিকে একটি তথ্যবহুল ও মানসম্মত প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। এখানে আমি মূলত প্রযুক্তি, অনলাইন আয়, ব্লগিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, এসইও এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক প্রাকটিক্যাল ও বাস্তবভিত্তিক গাইড, পরামর্শ ও টিপস প্রকাশ করে থাকি।

আমার লক্ষ্য শুধু লেখা নয়, বরং এমন কনটেন্ট তৈরি করা যা একজন সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে নতুন ব্লগার বা প্রযুক্তি উৎসাহী ব্যক্তি কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারেন। তথ্যের সত্যতা, প্রয়োগযোগ্যতা এবং সহজবোধ্য উপস্থাপনাই আমার ব্লগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

"সহজ বাংলায় জ্ঞানের মাধ্যমে জীবনে পরিবর্তন আনুন 💡"

স্বত্ব ©️ Web Tech Info | সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন | সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।

👉 Post a Comment 💬 এখানে লিখে আপনার মতামত দিতে পারেন, আমরা শুনতে আগ্রহী! ..... 📝

0 Comments

Loading...