📢 সারাক্ষণ ক্লান্তি লাগে ? মারাত্মক কোন কিছুর ইঙ্গিত নয় তো ?
Web Tech Info Bangla - সব কিছু বাংলায়, এক প্ল্যাটফর্মে!
April 09, 2024
Follow দিয়ে রাখুন অথবা হোম পেজটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।
Admin পরিচিতি
জাকির হোসেন একজন প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগার, কনটেন্ট নির্মাতা ও ওয়েব ডেভেলপার। তিনি প্রযুক্তি, অনলাইন আয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ব্লগিং এবং এসইও বিষয়ক লেখা নিয়ে ZakirZone.com ব্লগ পরিচালনা করছেন ২০১৫ সাল থেকে।
📧 যোগাযোগ:
contact@zakirzone.com
🌐 ওয়েবসাইট:
www.zakirzone.com
🎯 আমার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে 💚 নতুন কিছু শেখা এবং সেই জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা। আমি বিশ্বাস করি, শেখার কোনো শেষ নেই — আর তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে আমরা একে অপরের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।
আমার অভিজ্ঞতা ও আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে আমি ZakirZone.com ব্লগটিকে একটি তথ্যবহুল ও মানসম্মত প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। এখানে আমি মূলত প্রযুক্তি, অনলাইন আয়, ব্লগিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, এসইও এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক প্রাকটিক্যাল ও বাস্তবভিত্তিক গাইড, পরামর্শ ও টিপস প্রকাশ করে থাকি।
আমার লক্ষ্য শুধু লেখা নয়, বরং এমন কনটেন্ট তৈরি করা যা একজন সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে নতুন ব্লগার বা প্রযুক্তি উৎসাহী ব্যক্তি কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারেন। তথ্যের সত্যতা, প্রয়োগযোগ্যতা এবং সহজবোধ্য উপস্থাপনাই আমার ব্লগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
"সহজ বাংলায় জ্ঞানের মাধ্যমে জীবনে পরিবর্তন আনুন 💡"
স্বত্ব ©️ Web Tech Info | সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন | সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Home > শিক্ষা, তথ্য ও প্রযুক্তি > Article
প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে, ইংরেজিতে চিন্তা করতে শিখতে হবে, সহজভাবে শুরু করতে হবে এবং ভুল থেকে শিখতে হবে; যেমন - উচ্চস্বরে পড়া, অনলাইনে পার্টনার খুঁজে কথা বলা, এবং ইংরেজিতে চ্যাট করা—এভাবে ধীরে ধীরে সাবলীলতা আসবে এবং ভয় কাটবে।
ভুল করা শেখারই অংশ। ভুল করা এড়াতে গেলে শেখা এড়ানো হবে, যা ভয়কে আরও বাড়িয়ে তোলে। ছোট ছোট ভুল করতে থাকুন, ঠিক হয়ে যাবে।
উচ্চস্বরে প্রতিদিন ইংরেজি পড়ুন, সিনেমা দেখুন, গান শুনুন। এতে উচ্চারণ ও শব্দভাণ্ডার বাড়বে।
নিজের মনে কথা বলার সময় বাংলা বাদ দিয়ে ইংরেজিতে চিন্তা করার অভ্যাস করুন। এটা সাবলীল হতে সাহায্য করবে।
ভুল থেকেই শেখা যায়, অনুশীলনই আপনাকে করবে সাবলীল।
ইংরেজি ! ভয় ! দুর করতে !
⤵
চিন্তাটা ইংরেজিতে করতে হবে
একা একা কথা বলা।
গ্রামার নিয়ে বেশি চিন্তা না করা।
প্রচুর ইংরেজি শোনা:
ইংরেজি গান গাওয়া, ইংরেজিতে গল্প বলা। এবং নিয়মিত Practice ! Practice ! এবং Practice ! করা ।
Spoken English এ দক্ষতা বাড়ানোর ১০ টি সহজ উপায়
ইংরেজিতে দক্ষ হতে চাই - এই বাক্যটির সকল Tense এর উদাহরণ
🏠 ঘরে বসে আয়: ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) , আউটসোর্সিং (Outsourcing)
কিভাবে ৫ মিনিটে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি করবেন (স্টেপ বাই স্টেপ)
সেরা ৫টি বাংলাদেশী অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, আয় ও কৌশল ।
ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়াতে ব্যাকলিংকের গুরুত্ব ও পাওয়ারফুল কৌশল ।
| Owner : |
মোঃ জাকির হোসেন, মোল্লা মিডিয়া ভবন, গ্রামীণ ব্যাংক রোড, ডেমরা বাজার, ফারিদপুর পাবনা-৬৬৫০ |
|---|---|
| Phone: | +8801979210505 |
| Office : | 01979210505 |
| email: | contact@zakirzone.com |
| Web Address : | www.zakirzone.com, |
| zakirtechzone.blogspot.com | |
| info@zakirzone.com |
📘 এক সময় অতিরিক্ত চিন্তা আমাকে থামিয়ে রাখত। পরে বুঝলাম, ভাবনার চেয়ে কাজের মূল্য অনেক বেশি। সেদিন থেকেই নিয়মিত Study & Practice শুরু করি, আর সেখান থেকেই আমার এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি হয়।
If you are completely new to the professional world, look for foundational, entry-level positions that allow you to shadow senior staff and learn on the job
নিচের বাটনগুলিতে ক্লিক করে সহজে ইংরেজি শেখার নিয়ম দেখুন। প্রতিটি বাটনে বিস্তারিত উদাহরণ ও ব্যবহার দেওয়া আছে।
Gain industry-relevant skills, earn professional certifications, and unlock new opportunities. Whether you're starting fresh, changing paths, or aiming for leadership roles, your next career move begins here.
আপনি কর্মজীবনে নতুন হোন, ইন্ডাস্ট্রি পরিবর্তন করতে চান, অথবা পদোন্নতির দিকে এগোতে চান—যে কোনো লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন এবং ইন্ডাস্ট্রি-রিকগনাইজড সার্টিফিকেট নিতে পারেন। Coursera এর মতো প্ল্যাটফর্মে হাজারো কোর্স ও সার্টিফিকেট রয়েছে যা আপনাকে সফল হতে সাহায্য করবে।
আপনি যদি একেবারে নতুন হন, তাহলে এমন এন্ট্রি-লেভেল চাকরি খুঁজুন যেখানে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবেন।
ফোকাস: বেসিক সফটওয়্যার শেখা, পোর্টফোলিও তৈরি, প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্ট করা।
সার্টিফিকেট: Google Career Certificates-এর মতো প্রোগ্রাম বিবেচনা করুন।
চাকরির ধরন: Assistant, Coordinator, Specialist ইত্যাদি।
নতুন ইন্ডাস্ট্রিতে যেতে চাইলে আপনার বর্তমান দক্ষতা নতুন ক্ষেত্রের সাথে মিলিয়ে পরিকল্পনা করুন।
ফোকাস: নতুন ট্রেন্ড শেখা, গবেষণা করা, ট্রান্সফারেবল স্কিল চিহ্নিত করা।
আপস্কিলিং: Coursera-এর Career Transition প্রোগ্রাম ব্যবহার করুন।
জনপ্রিয় ক্ষেত্র: Data Science, Digital Marketing, UX/UI Design।
পদোন্নতি বা বেতন বাড়াতে হলে নেতৃত্ব, দক্ষতা এবং ধারাবাহিক শেখার উপর জোর দিতে হবে।
ফোকাস: ধারাবাহিক শেখা, টিমওয়ার্ক, লিডারশিপ স্কিল।
আপস্কিলিং: DeepLearning.AI এবং AWS সার্টিফিকেশন করুন।
অ্যাকশন: নতুন প্রজেক্টে দায়িত্ব নিন এবং দক্ষতা প্রমাণ করুন।
আপনি বর্তমানে কোন ইন্ডাস্ট্রি বা রোলে আছেন এবং কোন দিকে যেতে চান তা জানালে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি—
আরও পড়ুন :
English এ am to, is to, are to কে ” Obligation বা বাধ্যবাধকতা ” বলা হয়। বাংলাতে আমরা খুব সহজে কিছু কথা বলে থাকি, যেমনঃ আমাকে সেখানে যেতে হয়, তাকে কাজটি করতে হয় ইত্যাদি
ব্যবহারের ক্ষেত্রে : 👉 বাংলা বাক্যের শেষে “ তে হয় ” থাকলে am to/ is to/ are to ব্যবহার করে English sentence তৈরি করতে হয়。
Structure: 👉 subject + am/ is/ are + to + verb (present form) + extension
Pronoun Setting:👉 Subject যদি he, she, it, this, that, singular noun, uncountable noun হয় তাহলে auxiliary verb is হয়, I থাকলে am এবং বাকি সকল ক্ষেত্রে Are হয়।
Example:
Education and knowledge : "শিক্ষা ও জ্ঞান সেই আলো, যা যত ছড়িয়ে পড়ে, পৃথিবী তত আলোকিত হয়।"
Spoken English: Get = Understand (বুঝতে পারা) কোন একটি বিষয় সম্পর্কে বুঝতে পেরেছি (Understand) এমন অর্থে Get এর ব্যবহার করা হয়। (i) I got it. আমি বুঝতে পেরেছি. (ii) Could you get it? আপনি কি বুঝতে পেরেছেন?
ব্যবহারের ক্ষেত্রে : 👉 বুঝতে পারা অর্থে understand এর পরিবর্তে আমরা get ব্যবহার করতে পারি।
Structure: 👉 Subject + get + object.
Pronoun Setting:👉 Tense অনুসারে get এর পরিবর্তন হবে, অর্থাৎ সকল Tense এ ব্যবহার হয়। সুতরাং Tense অনুসারে বিভিন্ন ধরণের Example sentence দেখান হয়েছে।
আরও পড়ুন :
English এ "Am / is / are + supposed to" কে "Obligation" বা "বাধ্যবাধকতা" বলা হয়।
বাংলায় আমরা খুব সহজে কিছু কথা বলে থাকি, যেমনঃ
কিন্তু ইংরেজিতে এই ধরনের বাক্য তৈরি করতে গেলে আমরা প্রায়ই কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে যাই। তবে চিন্তা নেই, ইংরেজি বাক্যগুলো তৈরি করতে খুব সহজ একটি নিয়ম আছে। ইংরেজিতে এই ধরনের বাক্যগুলো তৈরির জন্য Am / is / are এর সাথে "supposed to" যোগ করলেই হয়ে যাবে।
এটি জানার পর, আমরা সহজেই প্রতিদিনের ইংরেজি কথোপকথনে এই ধরনের বাক্য ব্যবহার করতে পারব। চলুন, এখন দেখে নি কিভাবে সহজে এই বাক্যগুলো ইংরেজিতে তৈরি করা যায়।
Get ready – something amazing is coming soon! Big news: Our latest content is almost here! Coming soon – a new content to wow you!
আরও পড়ুন :
✨ something amazing is coming soon! Big news: Our latest Tech News is almost here! Coming soon – a new Page to wow you! ✨
আরও পড়ুন :
বর্তমানে Fiverr, upwork, Freelancer.com এর মতো আরো কয়েকটি অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) প্লাটফর্মের মধ্যে রয়েছে :
ফাইভার (Fiverrr) ও আপওয়ার্ক (UpWork) এর কার্যপদ্ধতির মধ্যে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। ফাইভার এর যেকোনো সেবার অফারকে গিগ বলা হয়। ফ্রিল্যান্সারগণ গিগ পোস্ট করেন এবং গ্রাহকগণ সেখান থেকে তাদের পছন্দনীয় গিগ বেছে নেন। অর্থাৎ ফাইভারে গ্রাহকগণই তাদের ইচ্ছানুযায়ী ফ্রিল্যান্সার বেছে নেন। তবে ফাইভারে বায়ার চাইলে জব পোস্ট করতে পারেন যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা বিড করতে পারেন।
আপওয়ার্কে ( Upwork ) ফ্রিল্যান্সারগণ তাদের প্রোফাইলে নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতা এসব তুলে ধরেন। গ্রাহকগণ তাদের যে কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সার আবশ্যক তার বিবরণ দিয়ে মূলত জব পোস্ট করেন। ফ্রিল্যান্সাররা কাজের তালিকা থেকে নিজেদের অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে কাজের জন্য প্রপোজাল পাঠান। ক্লায়েন্টরা আগ্রহী ফ্রিল্যান্সারের তালিকা থেকে তাদের পছন্দের এক বা একাধিকজনকে নির্বাচন করে চুক্তিবদ্ধ হন। আবার গ্রাহকগণ চাইলে কোনো ফ্রিল্যান্সারকে কাজের জন্য ইনভাইটেশনও পাঠাতে পারেন।
ফাইভার (Fiverr) এ আপনি সেলার হিসেবে পরিচিত হবেন। ধরুন আপনি আপনার ড্রেস কিনতে চান। কোন একটি দোকানে গেলে অনেক রকমের ড্রেস বিভিন্ন ডিজাইনের ড্রেস দেখতে পাবেন, সেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ড্রেস দাম অনুযায়ী দেখে কিনে নেন। ফাইভারের ব্যাপারটিও অনেকটা সেরকমই।
অর্থাৎ আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন কাজের প্যাকেজ ফাইভারে দিয়ে রাখতে পারেন যাকে Fiverr এঁর ভাষায় গিগ বলা হয় অর্থাৎ ফাইভার এর যেকোনো সেবার অফারকে গিগ বলা হয়। সেখানে আপনার কাজের রেট, আপনি কী কী কাজ করবেন, আপনি কী কী সুবিধা দেবেন এই সকল তথ্য দিয়ে সেটিকে পোস্ট করেন। অনেকটাই বিজ্ঞাপনের মতো করে। বায়াররা এসব প্যাকেজ থেকেই নিজেদের সুবিধামত প্যাকেজ অর্ডার করেন। এই প্যাকেজকেই ফাইভারে গিগ হিসেবে ডাকা হয়। অর্থাৎ ফাইভারে আপনার দক্ষতা বা কাজকে আলাদা একটি প্যাকেজ হিসেবে দেখানো হয় এবং এর মাধ্যমেই আপনি আয় করতে পারেন।
অপরদিকে আপওয়ার্ক (Upwork) এখানে সম্পূর্ণই আলাদা। আপওয়ার্কে বরং ক্লায়েন্টরাই তাদের কোন কাজটি দরকার সে বিষয়ে পোস্ট করেন। ফ্রিল্যান্সারদের এসব কাজের বিস্তারিত জেনে আগে ঠিক করতে হয় যে ক্লায়েন্টের সকল শর্ত পূরণ করে সঠিকভাবে কাজটি করতে পারবে কিনা। এরপর বিড করতে হয়। বিড বলতে কে কতটা কমে সেই কাজটি কতটুকু সুবিধা দিয়ে করতে পারবে সেটি প্রপোজাল হিসেবে দেয়া। এখান থেকে ক্লায়েন্ট নিজের সুবিধা অনুযায়ী যে কাউকে তার কাজটি করতে দিতে পারেন। অর্থাৎ আপওয়ার্কের কাজ পাওয়ার ধরণটি ফাইভার থেকে পুরোপুরি আলাদা। মূল আরটিকেল পড়তে ক্লিক !
আরও পড়ুন :
| করধাপ | করহার |
|---|---|
| ৩,৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত (সংসদে চূড়ান্ত বাজেট পাসের সময় সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪,০০,০০০ (চার লাখ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে [১.৪.১, ১.৪.৪]) |
শূন্য |
| পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১০% |
| পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১৫% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২০% |
| পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২৫% |
| অবশিষ্ট টাকার উপর | ৩০% |
| প্রস্তাবিত করধাপ | প্রস্তাবিত করহার |
|---|---|
| ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | শূন্য |
| পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১০% |
| পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১৫% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২০% |
| পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২৫% |
| পরবর্তী ২,৬৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ৩০% |
| অবশিষ্ট টাকার উপর | ৩৫% |
| প্রস্তাবিত করধাপ | প্রস্তাবিত করহার |
|---|---|
| ৪,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত | শূন্য |
| পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১০% |
| পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ১৫% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২০% |
| পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ২৫% |
| পরবর্তী ২,৬৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত | ৩০% |
| অবশিষ্ট টাকার উপর | ৩৫% |
আরও পড়ুন :
🟢 আয়কর রিটার্নে সাধারণ ভুল—বাস্তব উদাহরণসহ | কর জটিলতা এড়ানোর গাইড।
Web Tech Info এক নজরে Quick Link
কর-বছর-২০২৬-২০২৭- অর্থ-বছর-২০২৫-২০২৬
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ, বিদেশে অবস্থানরত এবং নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য ই-ট্যাক্স পোর্টালে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নং আইন)-এর ধারা ২৬৯ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিদের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশিসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রে মোট আয়ের ওপর নিম্নোক্ত করহার প্রযোজ্য হবে, যথা:—
| বার্ষিক করযোগ্য আয়ের ধাপ (স্ল্যাব) | করের হার (Tax Rate) |
|---|---|
| প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ( সংসদে চূড়ান্ত বাজেট পাসের সময় সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪,০০,০০০ (চার লাখ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে [১.৪.১, ১.৪.৪] ) | শূন্য (ট্যাক্স নেই) |
| পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা | ১০% |
| পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা | ১৫% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা | ২০% |
| পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা | ২৫% |
| অবশিষ্ট অংশ | ৩০% |
(ক) মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৪,৫০,০০০ টাকা;
(খ) তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৫,২৫,০০০ টাকা;
(গ) গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ এ আহত গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা হইবে ৫,৫০,০০০ টাকা;
(ঘ) কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০,০০০ টাকা অধিক হইবে, তবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়ই করদাতা হইলে যেকোনো একজন এই সুবিধা ভোগ করিবেন;
(ঙ) বাংলাদেশে অনিবাসী (অনিবাসী বাংলাদেশি ব্যতীত) এইরূপ সকল করদাতার জন্য এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হইবে না;
(চ) মোট আয় করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রম করিলে ন্যূনতম করের পরিমাণ হইবে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার টাকা), তবে নতুন করদাতাগণের ক্ষেত্রে এইরূপ ন্যূনতম করের পরিমাণ হইবে ১,০০০ (এক হাজার টাকা)।
ধরি, একজন সাধারণ পুরুষ করদাতার বার্ষিক আয় ৬,০০,০০০ টাকা। তার ট্যাক্স হিসাব হবে এভাবে—
✅ প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা এর ওপর কর = ০ টাকা (করমুক্ত)
➜ বাকি থাকে = (৬,০০,০০০ − ৪,০০,০০০) = ২,০০,০০০ টাকা
➜ এই ২,০০,০০০ টাকা পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকার স্ল্যাবে পড়ে। তাই এর ওপর ১০% হারে কর হবে = ২০,০০০ টাকা
📌 ন্যূনতম কর (Minimum Tax):
আপনার আয় যদি করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে, তবে এলাকাভেদে বা প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা কর দিতে হবে।
তবে নতুন করদাতাদের ক্ষেত্রে এটি ১,০০০ টাকা হতে পারে।
💻 অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক:
বর্তমানে দেশের সকল ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কর রেয়াত এক নজরে- Investment Rebate
একজন ব্যক্তি করদাতা নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ করে থাকলে তার প্রদেয় করের উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ করছাড় পেয়ে থাকেন। এই করছাড়কে বিনিয়োগের বিপরীতে কর রেয়াত (Investment Tax Rebate) বলা হয়।
কর রেয়াত নিম্নোক্ত তিনটি অঙ্কের মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন, সেই পরিমাণ হবে।
উপরের (ক), (খ) ও (গ) এই তিনটি অঙ্কের মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন হবে, করদাতা সেই পরিমাণ অর্থ কর রেয়াত (Tax Rebate) হিসেবে প্রাপ্য হবেন।
Website Owner: Md. Zakir Hossain | Created by Zakir Zone | Challenge by Zakir Tech Zone. Coded by Z@kir_IT
© Copyright 2015-. zakirzone.com powered by Blogger | Privacy Policy | Terms and Conditions | Sitemap |
0 Comments